Home » কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন বায়রন বিশ্বাস

কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন বায়রন বিশ্বাস

সময় কলকাতা ডেস্ক,৩০ মেঃ সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে জিতে বিধানসভায় খাতা খুলেছিলেন বায়রন বিশ্বাস। তারপর ৯০ দিনও কাটল না, সেই বায়রনই সোমবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে শেষ পর্যন্ত যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। বিধানসভায় কংগ্রেসের এক মাত্র বিধায়ক ছিলেন বায়রন বিশ্বাস। স্বাভাবিকভাবেই, বাংলার বিধানসভায় ফের কংগ্রেসের খাতা বন্ধ হয়ে গেল। গত ২ মার্চ সাগরদিঘি ভোটের ফল ঘোষণা হয়েছিল। দেখা যায়, তৃণমূলকে হেলায় হারিয়ে সাগরদিঘিতে জয় পায় কংগ্রেস। এই জয় ঘিরে কংগ্রেস, বাম শিবিরে নয়া উদ্যম লক্ষ্য করা যায়। এদিন বায়রন বিশ্বাস প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বায়রন বিশ্বাসকে তৃণমূলে স্বাগত। আশা করি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন বায়রন।

আরও পড়ুন   অশান্ত মণিপুরে তিনদিনের সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ছিল মুর্শিদাবাদের সাগরদীঘি বিধানসভার উপনির্বাচন। ৩ বারের তৃণমূল বিধায়ক সুব্রত সাহার প্রয়াণে এই কেন্দ্রটিতে উপনির্বাচন হয়। তবে হ্যাঁ, ঝালদা ইস্যুটির সঙ্গে এই কেন্দ্রের কোনও মিল না থাকলেও একটি কেন্দ্রের নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক কাটাচেড়ার সাক্ষী কিন্তু থেকে যাচ্ছে বাংলা সহ গোটা দেশের মানুষ। এখানে হিংসা ক্ষীণ, তবে যা জোড়াল হয়েছে, তা হল রাজনৈতিক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের তেজ। ঘাসফুল শিবির ও পদ্ম শিবিরের দ্বৈরথের ঘটনা শিরোনাম কেড়েছিল। আসরে নেমে হাল ধরতে দেখা গিয়েছিল কংগ্রেসকেও। বলে রাখা ভালো, এর আগে সমবায় নির্বাচন গুলিতে বাম-বিজেপি আঁতাতের অভিযোগ বারবার প্রকাশ্যে এনেছিল শাসকদল তৃণমূল। কোথাও কোথাও সিপিএমের মিছিলে পদ্মশিবিরের প্রতীকও নজরে পড়েছে রাজ্যবাসীর।

আরও পড়ুন    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করল সিআইডি

তবে, সাগরদীঘির উপনির্বাচনের আগে সেই কেন্দ্রে প্রচারে গিয়ে সরাসরি অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি-কংগ্রেসের আঁতাতের। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভায় দাঁড়িয়ে, রীতিমতো কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাসের ছবি দেখিয়ে বলেছিলেন এই আঁতাতের কথা। তবে, পাল্টা দিতে ছাড়েনি কংগ্রেস-বিজেপি দুই শিবিরই। এমনকী প্রচারে গিয়ে কালো পতাকা দেখানো হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও। সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে সংখ্যালঘু তাপ খেলতে পিছপা হননি শুভেন্দু অধিকারীও। স্বাভাবিকভাবে প্রচারপর্বে সাগরদীঘি ছিল সংবাদের শিরোনামে। কংগ্রেস কর্মীর গ্রেফতার, হাইকোর্টে মামলা করে তাঁর জামিন পাওয়া, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সাগরদিঘি থানার ওসিকে সরিয়ে দেওয়া— সবটুকু ঘিরেই ছিল কৌতূহল, উত্তেজনার পারদ। ভোটের দিনও সেই কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ি উঠে এসেছিল সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায়। ভোটের দিনও অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে সরগরম ছিল সাগরদীঘি।

About Post Author