সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩১ মে : বলিউডের অন্যতম খ্যাতনামা অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। শুধু সিলভার স্ক্রিনই নয়, থিয়েটার জগতেও বেশ নাম ডাক আছে তাঁর। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে কখনো পিছুপা হননি তিনি। সবসময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এসেছেন অভিনেতা নাসিরুদ্দিন। বহুবার সরকার বিরোধী বিভিন্ন সাহসী মন্তব্যের কারণে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। এইবারও তার অন্যথা হল না। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর বক্তব্যে আক্ষেপের সুর শোনা গেল। তাঁর বক্তব্য, ‘দেশের সমস্ত নাগরিকদের মনে কৌশলগত ভাবে মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাব পোষণ করা হচ্ছে। আজকালকার সিনেমার মধ্যে দিয়ে যেসব বিদ্বেষী জিনিস দেখানো হচ্ছে, তা-ই বাস্তবে প্রভাব ফেলছে। এটি আসলে ইসলামফোবিয়া’।
আরও পড়ুন প্রতারণা চক্রের কবলে সর্বস্বান্ত ভারতীয় ফুটবলের বাবলু দা

অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ কোনরকম ধোঁয়াশা না রেখেই বলেন, ‘বর্তমানে এটি একটি খুব উদ্বেগজনক সময়। নানা কৌশল পদ্ধতির মাধ্যমে মানুষের মনে মুসলিম বিরোধী মনোভাব ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর সামাজিক জীবনে যার বিশাল প্রভাব পড়ছে। মুসলিম-বিদ্বেষ তো আজকাল একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়ে গিয়েছে’। তিনি আরও জানান, ‘বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলি আরও সুকৌশলে এটির মাধ্যমে সাধারণকে প্রভাবিত করে চলেছে। আমরা সবাই ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলি। কিন্তু, এখানে ধর্মকে অস্ত্র করে সবকিছুর মধ্যে কেন ধর্মকে টেনে আনা হচ্ছে? যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে ভোট আদায় করছেন,তাদের সামনে নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র একজন নীরব দর্শক’।

আরও পড়ুন বায়রন বিশ্বাসের দলবদল নিয়ে তৃণমূলকে তোপ জয়রাম রমেশের, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী
তাঁর মতে, ‘এখন যদি কোন মুসলিম ‘আল্লাহু আকবর’ বলে ভোট চাইতে যেত তাহলে তো দুনিয়া ওলট পালট হয়ে যেত এক নিমেষে’। নাসিরের কথায়, ‘সবকিছু জানার পর, দেখার পর নির্বাচন কমিশন কিভাবে চুপচাপ থাকতে পারেন? মেরুদন্ডহীন কমিশনের তো একটা কথা বলারও সাহস নেই’। এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজেও ধর্মের নামে ভোট আদায় করেন। সম্প্রতি নির্বাচনে তিনি হেরে গিয়েছেন। বর্তমান সময় নিয়ে আক্ষেপ থাকলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকটাই আশাবাদী তিনি। ‘একদিন এই ঘৃণার রাজনীতি শেষ হবেই বলে জানান তিনি।


More Stories
ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড যেন যৌনতার ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস
বউ বদল : ময়নাগুড়িতে স্বামী-স্ত্রীর বদলাবদলি নাকি বদলা ?
অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা আসছে