Home » মারি গিলবার্টের অনন্য লড়াই ও মৃত্যুর কাহিনী

মারি গিলবার্টের অনন্য লড়াই ও মৃত্যুর কাহিনী

সময় কলকাতা, ২৮ জুলাই : গিলগো বিচ সিরিয়াল কিলিং-এর কথা বললে মারি গিলবার্টের নাম সবার আগে মনে পড়বে। তিনি আজ নেই, কিন্তু গিলগো বিচ হত্যাকান্ড জনসমক্ষে নিয়ে আসার বিষয়ে মারি গিলবার্টের অবদান সবচেয়ে বেশি। নিজের এক মেয়ের হয়ে পাঁচ বছর লড়াইএর পরে তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যু ঘিরেও রয়েছে এক বিরাট কাহিনী।কী করেছিলেন তিনি যা তাঁকে স্মরণীয় করে রেখেছে? কিভাবেই বা খুন হলেন তিনি?

বছর তিন আগে মুক্তি পাওয়া “লস্ট গার্লস ”  অনেকেই দেখেছেন , বইটি একদিকে যেরকম তখনও পর্যন্ত খোঁজ না পাওয়া সিরিয়াল কিলারের  কাহিনী তেমনই এক মায়ের ন্যায়বিচার চাওয়ার কাহিনী । কার্যত চলচ্চিত্রে  সিরিয়াল কিলারের খুনের চেয়ে মারি গিলবার্টের একটানা সংগ্রামের  ছবি ফুটে উঠেছে। দীর্ঘ পাঁচ বছর লড়াই চালানোর পরে মৃত্যু হয় মারি গিলবার্টের। তার মৃত্যু খুন হিসেবে নথিভুক্ত হয়, এবং অভিযুক্ত হয় তার এক কন্যা। কিন্তু  গিলগো বিচ সিরিয়াল কিলিংয়ের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মারি গিলবার্টের বড় মেয়ে শ্যানন। তার অন্তর্ধানের পরেই নিজের কন্যাকে খুঁজে বের করতে রীতিমত শোরগোল ফেলে দেন মধ্য চল্লিশের মারী। পুলিশ বাধ্য হয় তদন্ত প্রক্রিয়ায় তৎপরতা আনতে। মাটি খুঁড়ে পাওয়া যেতে থাকে একের পর এক দেহ বা কঙ্কাল।পুলিশ ধীরে ধীরে দেহগুলি সনাক্ত করলেও দীর্ঘদিন অপরাধী খুঁজে বার করতে পারেনি। অবশেষে হত্যাকাণ্ড থেমে যাওয়ার বারো বছর পরে অভিযুক্ত হিসেবে পুলিশ মামলা রুজু করেছে রেক্স হউর হিউরম্যানের বিরুদ্ধে। মারি গিলবার্ট নেই, কিন্তু তিনি ছিলেন । তিনি না থাকলে গিলগো বিচের রহস্য থেকে যেত রহস্য হয়েই।।

আরও পড়ুন : সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর রাষ্ট্রপতির ভাই প্রয়াত, তিনদিনের শোক ঘোষণা

About Post Author