সময় কলকাতা ডেস্ক,১ আগস্টঃ বর্তমানে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা অত্যন্ত সাধারণ একটি রোগ হয়ে উঠেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আলট্রাসনোগ্রাম করাতে গিয়েই এই ফ্যাটি লিভার ধরা পরে। ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। অনিয়মিত জীবনযাপনই মূলত ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ও নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ মূলত এই দুই প্রকারের ফ্যাটি লিভার হয়। চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া,অতিরিক্ত ওজনই মূলত ফ্যাটি লিভার রোগের জন্য দায়ী। নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইলের পরিবর্তন আনলে তা মোকাবিলা করা সম্ভব। তবে, অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে সময়মত সচেতন না হলে লিভার সিরোসিস পর্যন্ত হতে পারে। লিভার সিরোসিসে লিভারের কার্জক্ষমতা হারিয়ে যায়। এতে বেড়ে যায় মৃত্যু ঝুঁকি। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই ডায়েটের দিকে নজর দিতে হবে।
আরও পড়ুন মুখের কালো দাগছোপ কিছুতেই কমছে না? ত্বকের যত্নে আপনার জন্য রইল কিছু টিপস

শাকসব্জি
শরীরের যত্ন নিতে সবুজ শাকসব্জির কোনও বিকল্প হয় না। যে কোনও অসুস্থতায় নিশ্চিন্তে নানা রকম সবজি খাওয়া যায়। কিছু রোগের ক্ষেত্রে শাকসব্জিই হয়ে ওঠে অন্যতম ওষুধ। ফাইবার, মিনারেলস, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের মতো উপকারী পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার রোজের পাতে রাখুন। এক্ষেত্রে ভাত কম খান আর সব্জি বেশি করে খাওয়ার অভ্যাস করুন।
গোটা শস্যদানা
কিছু গোটা শস্য দানা, যাদের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যেমন ওটস, বিভিন্ন বীজ, শস্যদানা।এছাড়া বাদাম এবং আমন্ডে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই, ফেনোলিক অ্যাসিড যা লিভারের জন্য খুবই উপকারী।

মাছ
সুস্থ থাকতে রোজের পাতে এক টুকরো মাছ রাখুন। আপনার ফ্যাটি লিভারের সমস্যা থাকলে মাছ খেতেই পারেন। মাছে রয়েছে ওমেগা-৩, যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এক্ষেত্রে ছোট মাছ খেতে পারেন, উপকার পাবেন। তবে ফ্যাটি লিভারের রোগীদের তেল-চর্বির পরিমাণ বেশি, এমন মাছ না খাওয়াই শ্রেয়।
ওমেগা থ্রি যুক্ত খাবার
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে পারে। পাশাপাশি ট্রাইগ্লিসারাইডস কমাতেও সাহায্য করে। তাই লিভারের সমস্যায় ওমেগা থ্রি যুক্ত খাবার খান। এক্ষেত্রে আপনি স্যালমন, সার্ডিনের মতো বিদেশি মাছ খেতে পারেন।

আরও পড়ুন মরশুম শুরুর আগেই ট্রফির স্বাদ পেল চেলসি
মুরগির মাংস
মুরগির মাংসে রয়েছে ভরপুর পরিমাণে প্রোটিন। শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করতে মুরগির মাংস খান। তবে বেশি তেল-ঝাল-মশলা দিয়ে রান্না করা ঠিক হবে না। এক্ষেত্রে চিকেন স্টু খেতে পারেন। একেবারে অল্প তেল দিয়ে পাতলা ঝোলও তৈরি করতে পারেন। তাই বলে রোজ মাংস খাওয়া ঠিক হবে না। সপ্তাহে দু-তিন দিন খেতে পারেন।


More Stories
চিকিৎসক বিরুপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা সরকারের
স্বাস্থ্য পরিষেবায় আধুনিকীকরণে জোর দেবেন নরেশ রায়
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু