সময় কলকাতা ডেস্ক, ১২ সেপ্টেম্বরঃ আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। সামনেই দুর্গাপুজো অর্থাৎ বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। শরতের আকাশে ভেসে থাকা সাদা মেঘ জানান দিচ্ছে ‘মা’ আসছে। ইতিমধ্যেই কলকাতার অলিতে গলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর থিমের লড়াই। কলকাতার পাশাপাশি দুর্গাপুজোর তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে বেলুড় মঠেও। প্রতিবছর নিষ্ঠা ও ভক্তি সহকারে বৈদিক প্রথা মেনেই দুর্গাপূজা ও কুমারী পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে বেলুড় মঠে। সেই প্রথা মেনেই জন্মাষ্টমীর পুণ্য তিথিতে কাঠামো পুজোর মধ্য দিয়ে বেলুড় মঠে দুর্গাপুজোর সূচনা হয়ে গিয়েছে। প্রতিবছর দুর্গা প্রতিমার বিসর্জনের পরই কাঠামো তুলে এনে রাখা হয়। তারপর জন্মাষ্টমীর দিন থেকেই পুজো করা হয় সেই কাঠামো। এরই মধ্যে ভক্তদের জন্য এবার প্রকাশিত হল বেলুড় মঠেড় দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট। বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের মত এবছরও দুর্গাপুজোর মণ্ডপ বাইরেই তৈরি করা হবে। এমনকী কুমারী পুজোর সময়ও উপস্থিত থাকতে পারবেন ভক্তরা।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বেলুড় মঠের দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট
২১ অক্টোবর(মহা সপ্তমী)– এদিন ভোর সাড়ে পাঁচটায় সপ্তমী পুজো শুরু হবে।
২২ অক্টোবর(মহা অষ্টমী)– এই দিনও ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ পুজো শুরু হবে। তারপর সকাল ন’টায় কুমারী পুজো অনুষ্ঠিত হবে মঠে। এই দিনই বিকেল ৭টা ৩৬ মিনিট থেকে রাত ৮টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত সন্ধিপুজো চলবে।
২৩ অক্টোবর(মহানবমী)- এদিন ভোরেও সাড়ে পাঁচটায় পুজো শুরু হবে। পাশাপাশি এদিন দেবীকে ভোগ নিবেদন করা হবে। জানা গিয়েছে,নবমীর দিন দেবীর সামনে দাঁড়িয়ে ভক্তরা পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারবেন। সেইসঙ্গে প্রতিদিন সন্ধ্যায় শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের আরতির পর হবে দেবী দুর্গার আরতি।

ইতিমধ্যেই দুর্গাপুজোর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য বেলুড় মঠের পক্ষ থেকে সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়াও পুজোর প্রণামি পাঠানোর জন্য দাতার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সহ প্যান কার্ড , আধার কার্ড অথবা ভোটার কার্ড যেকোনও একটি পাঠাতে হবে। সেক্ষেত্রে চেক অথবা ডিমান্ড ড্রাফ্ট পাঠানো হলে তাতে অবশ্যই ‘রামকৃষ্ণ মঠ, বেলুড় মঠ’ কথাটি উল্লেখ রাখতে হবে। অন্যদিকে রেজিস্টার পোস্ট বা কুরিয়ার কোম্পানির মাধ্যমে অর্থ না পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে মঠের পক্ষ থেকে। অনলাইনে প্রণামি পাঠানোর জন্য বেলুড় মঠের ডোনেশন ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।


More Stories
মমতা -অভিষেককে ৩০ হাজার করে ভোটে হারাতে না পারলে নাকখত দেবেন হুমায়ুন কবীর
ভাষা-সন্ত্রাস : মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিজেপি
আইনশৃঙ্খলার পাঠ : বিহারের কাছে কি পশ্চিমবঙ্গকে শিখতে হবে ?