Home » নয়জনের বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয় মোহনবাগানের

নয়জনের বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয় মোহনবাগানের

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২৭ সেপ্টেম্বর: ইন্ডিয়ান সুপার লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে জয় মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। বেঙ্গালুরু এফসিকে ঘরের মাঠে ১-০ গোলে হারাল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। মোহনবাগানের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ফরাসি মিডফিল্ডার হুগো বুমো। দ্বিতীয়ার্ধে বেঙ্গালুরুর দুইজন ফুটবলার রেড কার্ড দেখেন।

এই মরশুমে হুগো বুমোর মোহনবাগানের জার্সিতে খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। গত মরশুমে তাঁর পারফরম্যান্স খুশি করতে পারেনি সবুজ মেরুনের স্প্যানিশ কোচকে। জনি কাউকো সুস্থ থাকলে হয়তো এই মরশুমে আইএসএলের অন্য ক্লাবে দেখা যেত বুমোকে। এমনকি নতুন তারকা বিদেশীদের জন্য মোহনবাগানের মধ্যে প্রথম দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে ফের নিজের জাত চেনালেন এই ফরাসি-মরোক্কান মিডফিল্ডার। বুধবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর করা একমাত্র গোলে ৩ পয়েন্ট পেয়ে মাঠ ছাড়ল মোহনবাগান।

 

আরও পড়ুন:ডায়মন্ড হারবারকে হারিয়ে কলকাতা লিগ জয়ের আরও কাছে মহামেডান

বুধবার বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে দাপুটে ফুটবল খেলে জুয়ান ফেরান্দোর ছেলেরা। যদিও এশিয়ান গেমসে দেশের হয়ে খেলতে যাওয়ায় এই ম্যাচে ছিলেন না সুনীল ছেত্রী। গত ম্যাচের দলে দুটি পরিবর্তন করেন ফেরান্দো। ব্র্যান্ডন হামিল, গ্লেন মার্টিন ও আশিষ রাইকে প্রথম একাদশে রাখেননি মোহন কোচ। তাঁদের পরিবর্তে খেলান অনিরুদ্ধ থাপা, হুগো বুমো ও মানবীর সিংকে।

খেলায় প্রাথমিক চাপ তৈরি করে বেঙ্গালুরু। যদিও সেই চাপ সামাল দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করে মোহনবাগান। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করে গোলের সুযোগ তৈরি করে সবুজ মেরুন। তবে ফাইনাল থার্ড অঞ্চলে গিয়ে বার বার খেই হারিয়েছে কামিংস-পেত্রাতোস- মানবীরদের প্রয়াস। ১১ মিনিটে দুরন্ত সেভ করে। বিশাল। ১২ মিনিটে গোল লাইন থেকে বলকে বিপদমুক্ত করেন অনিরুদ্ধ। মাঝে মধ্যে প্রতি আক্রমণে উঠলেও, বেশ কিছুটা সময় মোহনবাগানকে চাপে রেখেছিল বেঙ্গালুরু। যদিও প্রথামর্ধের শেষে খেলায় ফেরে মোহনবাগান। তবে গোলের দেখা পায়নি। প্রথমার্ধের শেষে খেলার ফল ছিল গোলশুন্য।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে বেঙ্গালুরুর দলের উপর চাপ বাড়াতে শুরু করে মোহনবাগান। বলের সিংহভাগ দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হলেও কিছুতেই গোল পাচ্ছিল না সবুজ মেরুন। অবশেষে ৬৭ মিনিটে বেঙ্গালুরুর ডেডলক ভাঙ্গে মোহনবাগান। কিছুটা জোভানোভিচের ভুলে বল পেয়ে যান কামিংস। নিজে শট না মেরে বাড়িয়ে দেন বাঁ প্রান্তে অরক্ষিত থাকা বুমোকে। বল ধরে গুরপ্রীতকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান বুমো। এগিয়ে যায় মোহনবাগান। গোল খেয়ে দমে না গিয়ে, পাল্টা আক্রমণ শুরু করে বেঙ্গালুরু শিবির। তবে ৭৫ মিনিটে দশজনে হয়ে যায় বেঙ্গালুরু। পেত্রাতোসকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুরেশ। সামনে এএফসি কাপের খেলা থাকায় প্রথম একাদশের অনেক ফুটবলারকে তুলে নেন মোহন কোচ। এই সময়ে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করে দুই দল। কিন্তু গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের সংযুক্তি সময়ে বেঙ্গালুরুর রোশন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। শেষের দিকে মোহনবাগান রক্ষণে চাপ বাড়ালেও সমতা ফেরাতে পারেনি বেঙ্গালুরু।

About Post Author