Home » পর্যটন ব্যবসার আড়ালে মানব পাচারের অভিযোগে বারাসাতে এনআইএ-র হানা, গ্রেফতার ১

পর্যটন ব্যবসার আড়ালে মানব পাচারের অভিযোগে বারাসাতে এনআইএ-র হানা, গ্রেফতার ১

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ নভেম্বর: পর্যটন ব্যবসার আড়ালে মানব পাচারের অভিযোগে এবার উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে এনআইএ-র হানা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে এক ব্যবসায়ীকে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও ২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে এনআইএ-র আধিকারিকরা। মঙ্গলবার রাত থেকেই বারাসাত ছাড়াও ত্রিপুরা, অসম, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, রাজস্থান সহ ১০ রাজ্যে তল্লাশি চালাচ্ছে এনআইএ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এদিন মধ্যরাতে বারাসাতের নবপল্লীর ১১ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন রমেশ পল্লি ছায়ানট অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা বছর পঁয়তাল্লিশের সঞ্জীব দেবের বাড়িতে চলে এনআইএ-র তল্লাশি অভিযান। 

জানা গিয়েছে,সঞ্জীব দেব পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। সাজানো গোছানো বিশাল বাড়িও রয়েছে তার। মঙ্গলবার মধ্যরাতে সেই বাড়ির সামনেই আসে একটি গাড়ি। সেই গাড়ি থেকে নামেন কয়েকজন আধিকারিক। তখনও পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারা কিছু বুঝে উঠতে পারেননি ঠিক কী হচ্ছে ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে। পরে স্থানীয়রা জানতে পারেন ওই ব্যবসায়ী নাকি মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। তবে, এনআইএ প্রতিনিধিরা তদন্তের স্বার্থে এখনও পর্যন্ত কিছু বলতে চাননি। যদিও সঞ্জীব দেবের স্ত্রী জানিয়েছেন, ‘এদিন বাড়ির বিভিন্ন জায়গা তল্লাশি চালিয়েছেন আধিকারিকরা। তাঁরা বেশ কয়েক লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছেন বলেই জানা গিয়েছে।’

আরও পড়ুন    বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের পর্যবেক্ষণকে সঠিক প্রমাণ করলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

বছর পঁয়তাল্লিশের সঞ্জীব দেব পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত ছিলেন। বাড়ির থেকে সামান্য কিছুটা দূরেই তার অফিস। এদিন আধিকারিকরা ওই ব্যবসায়ীকে সঙ্গে করে নিয়ে তাঁর অফিসেও তল্লাশি চালান। এ বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ‘আমরা তো ভাবতেও পারছি না উনি এসবের সাথে যুক্ত। ব্যবসা করতেন, ভালই টাকা পয়সা রয়েছে ওই ব্যবসায়ীর। আমাদের সঙ্গেও ভাল ব্যবহার করতেন তিনি।’ প্রসঙ্গত, ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে পাচার সহ নাশকতা রুখতে বিশেষ পদক্ষেপ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পাচার রুখতে কড়া পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও। এই পর্যটন ব্যবসার আড়ালে অভিযুক্ত ওই পর্যটন ব্যবসায়ী কোনও ব্যক্তিকেও বাংলাদেশে পাচার করে থাকতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

About Post Author