Home » সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসের বাড়িতে আয়কর হানা

সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসের বাড়িতে আয়কর হানা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২০ ডিসেম্বর: ফের রাজ্যে আয়কর অভিযান। বুধবার সাত সকালে সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসের বাড়িতে আয়কর দফতরের হানা। জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের ধুলিয়ানে বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। বুধবার সকাল থেকেই তাঁর বাড়ি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়। তবে এই বাড়ি বায়রন বিশ্বাসের বাবা বাবর আলি বিশ্বাসের নামে বলে সূত্রের খবর। বিধায়ক বাড়িতে রয়েছেন কি না, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। সূত্রের খবর বায়রনের বাবার বড় বিড়ির ব্যবসা রয়েছে। এমনকী তাঁদের বাড়িতেও রয়েছে বিড়ির বড় কারখানা। সেইমত বিধায়কের বিড়ির ফ্যাক্টারি, চা কোম্পানি, নার্সিংহোম ও ডাকবাংলার বাড়িতে আয়কর দফতর হানা দিয়েছে। বিড়ি শিল্প, নার্সিংহোম ছাড়া আরও কোনও ব্যবসার সঙ্গে তিনি জড়িত কিনা, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন   আর্থিক সঙ্কটের মুখোমুখি হবেন, স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা বাড়বে! পড়ুন রাশিফল

সূত্রের খবর, বায়রনের সবকটি ব্যবসার আয়কর সঠিক পড়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতেই তদন্তকারীরা এসেছেন। এই মুহূর্তে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা ভেতরে রয়েছেন এবং তল্লাশি চালাচ্ছেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ছিল মুর্শিদাবাদের সাগরদীঘি বিধানসভার উপনির্বাচন। ৩ বারের তৃণমূল বিধায়ক সুব্রত সাহার প্রয়াণে এই কেন্দ্রটিতে উপনির্বাচন হয়। সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে জিতে বিধানসভায় খাতা খুলেছিলেন বায়রন বিশ্বাস। তারপর ৯০ দিন না কাটতেই সেই বায়রনই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে শেষ পর্যন্ত যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। বিধানসভায় কংগ্রেসের এক মাত্র বিধায়ক ছিলেন বায়রন বিশ্বাস। স্বাভাবিকভাবেই, বাংলার বিধানসভায় ফের কংগ্রেসের খাতা বন্ধ হয়ে যায়।

 

গত ২ মার্চ সাগরদিঘি ভোটের ফল ঘোষণা হয়েছিল। দেখা যায়, তৃণমূলকে হেলায় হারিয়ে সাগরদিঘিতে জয় পায় কংগ্রেস। এই জয় ঘিরে কংগ্রেস, বাম শিবিরে নয়া উদ্যম লক্ষ্য করা যায়। এদিন বায়রন বিশ্বাস প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বায়রন বিশ্বাসকে তৃণমূলে স্বাগত। আশা করি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন বায়রন। তবে হ্যাঁ, ঝালদা ইস্যুটির সঙ্গে এই কেন্দ্রের কোনও মিল না থাকলেও একটি কেন্দ্রের নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক কাটাচেড়ার সাক্ষী ছিল বাংলা সহ গোটা দেশের মানুষ। এখানে হিংসা ক্ষীণ, তবে যা জোড়াল হয়েছে, তা হল রাজনৈতিক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের তেজ। ঘাসফুল শিবির ও পদ্ম শিবিরের দ্বৈরথের ঘটনা শিরোনাম কেড়েছিল। আসরে নেমে হাল ধরতে দেখা গিয়েছিল কংগ্রেসকেও। বলে রাখা ভালো, এর আগে সমবায় নির্বাচন গুলিতে বাম-বিজেপি আঁতাতের অভিযোগ বারবার প্রকাশ্যে এনেছিল শাসকদল তৃণমূল। কোথাও কোথাও সিপিএমের মিছিলে পদ্মশিবিরের প্রতীকও নজরে পড়েছে রাজ্যবাসীর।

About Post Author