Home » ‘সন্দেশখালিতে সত্যের বিস্ফোরণ ঘটছে, আরও বড় তথ্য বেরিয়ে আসবে’, সন্দেশখালি ইস্যুতে মুখ খুললেন মিঠুন চক্রবর্তী

‘সন্দেশখালিতে সত্যের বিস্ফোরণ ঘটছে, আরও বড় তথ্য বেরিয়ে আসবে’, সন্দেশখালি ইস্যুতে মুখ খুললেন মিঠুন চক্রবর্তী

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি: সন্দেশখালি ইস্যুতে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। তারই মধ্যে এবার সন্দেশখালি ইস্যুতে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। শুক্রবার সকালে হাসপাতালে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে দেখতে যান মিঠুন চক্রবর্তী। আপাতত শারীরিকভাবে অনেকটাই স্থিতিশীল সুকান্ত মজুমদার। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপি রাজ্য সভাপতির শ্বাস প্রক্রিয়া আপাতত স্থিতিশীল। তাঁকে হালকা খাবার দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউরো ইনসেন্টিভ কেয়ার ইউনিট থেকে জেনারেল কেবিনে শিফট করা হয়েছে। সেখানেই সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সন্দেশখালি নিয়ে আরও বড় তথ্য বেরিয়ে আসবে। সত্যকে এভাবে আটকে রাখা যাবে না। সত্যটাকে আটকাতেই বিরোধীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। আমি বলব যে আওয়াজ উঠেছে সেই আওয়াজ যাতে বন্ধ না হয়। আমরা সবাই আছি। শাসক দল আপনাদের হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করলেও এই আওয়াজ বন্ধ হবে না।’

আরও পড়ুন   ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড দিল্লিতে! ভস্মীভূত রঙের কারখানা,আগুনে ঝলসে মৃত অন্তত ১১ জন

এদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ওপর পুলিশি হামলার অভিযোগের ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ পাঁচ পদস্থ কর্তাকে ডেকে পাঠিয়েছে লোকসভার সংসদীয় স্বাধিকার রক্ষা কমিটি। অন্যদিকে, সন্দেশখালির পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে। সন্দেশখালির মহিলারা যে সব অভিযোগ তুলছেন, ইতিমধ্যেই তা শুনেছেন তফসিলি কমিশনের প্রতিনিধিরা। তাঁদের সামনে বিস্ফোরক সব অভিযোগ করেছেন সন্দেশখালির মহিলারা। সেই নিয়েই এবার রিপোর্ট জমা পড়ল রাষ্ট্রপতির কাছে। এসবের মাঝেই সন্দেশখালি অভিযানের জন্য ছয় সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল গড়েছে বিজেপি। শুক্রবার সকালেই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সন্দেশখালির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিন্তু, এদিন মাঝপথেই তাঁদেরকে আটকে দেওয়া হয়।

পুলিশের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ১৪৪ ধারা জারি করা আছে বলে তাঁদের সন্দেশখালি ঢুকতে দেওয়া হবে না। এর আগে বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও চারজন বিধায়ককে নিয়ে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু, এদিন সরবেরিয়ার কাছে তাঁদেরকে আটকে দেওয়া হয়েছিল। জায়গায় জায়গায় ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। এই ঘটনার জেরে আইনের সাহায্য নিয়ে শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিকে, শুক্রবার সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষও। এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তাঁকে যেতে বাধা দেয় পুলিশ। ন্যাজাটের দুটি ফেরিঘাট এলাকায় ব্যারিকেড করে আটকে দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এদিন ন্যাজাট থেকেই রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মেদিনীপুরের সাংসদ।

About Post Author