সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ ফেব্রুয়ারি : লুকোচুরি খেলা চলছেই। সন্দেশখালি নিয়ে প্রশাসনের কঠোর নাকাবন্দি। রাজ্যের শাসক দলের বিরোধী রাজনৈতিক দল বা বিরোধী-মনস্কদের সন্দেশখালি যাওয়ার বিষয়ে রয়েছে ঘেরাটোপ। এই কড়াকড়িতে কেউ আগেই ধরা পড়ে যাচ্ছেন,কেউ আবার পুলিশকে বুঝতে না দিয়ে ঢুকে পড়ছেন সন্দেশখালিতে। যেমন সন্দেশখালি ঢুকে পড়লেন বাদশা মৈত্র, দেবদূত ঘোষ।
প্রশাসন বিরোধীদের ঢুকতে দিতে নারাজ সন্দেশখালিতে। “গোলমাল পাকানোর আশঙ্কায়” সিআরপিসি ১৫১ ধারায় নৌশাদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করা হয় সন্দেশখালি থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে সায়েন্স সিটির কাছে। কিন্তু আটকানো যায় নি বামপন্থী বিদ্বজনদের। পুলিশকে বুঝতে না দিয়ে তাঁরা সন্দেশখালি পৌছলেন টোটো চেপে। এই দলে ছিলেন বাদশা মৈত্র, দেবদূত ঘোষ প্রমূখ । তাঁরা সন্দেশখালি কাণ্ডে ও আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়া “স্থানীয় গরীব” মানুষদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি তুললেন। পাশাপাশি, যাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ পথে নেমেছে, সেই ‘অপরাধীদের’ বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুললেন। অভিনেতা বাদশা মৈত্র এদিন জানালেন, এমন ব্যবস্থা নেওয়া হোক যেন অপরাধীরা আগামী ২৫ বছর সন্দেশখালিতে ঢুকতে না পারে।
বামপন্থীদের আগেই আটকানো শুরু হয়েছিল। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় মুখে কাপড় না ঢেকে ন্যাজাটে আটকে গিয়েছিলেন। তিনি গত সপ্তাহে কাপড়ে মুখ থেকে ঢুকে পড়েন সন্দেশখালিতে। টোটো চেপে সন্দেশখালি পৌঁছানোর পরে বামপন্থী বিদ্বজনেরা এলাকা ঘুরে দেখেন। বাদশা মৈত্র এদিন বলেন, ‘সমাজবিরোধী একটা ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় কিছু ঘটনা ঘটেছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছেমানুষের । এটা তাঁরা বারবার করে অভিযোগ করেছেন, যে প্রশাসনের কাছে। হাজারবার যাওয়ার পরেও প্রশাসন তাঁদের কথা শোনেনি। ‘ যারা পথে নেমেছেন তাঁদের গ্রেফতার করা হলেও এবার তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হোক দাবি তুলে বামপন্থী বিদ্বজনদের দাবি, অপরাধীদের বিরুদ্ধে এখন ব্যবস্থা নেওয়ার সময়। এমন ব্যবস্থা নেওয়া হোক যাতে ২৫ বছর তারা আর সন্দেশখালিতে পা না দিতে পারে।।
আরও পড়ুন :শেষ চিঠি এল, চলে গেলেন পঙ্কজ উধাস


More Stories
চোখের রায়, বিদেশযাত্রার অনুমতি
এনকাউন্টারে নিহত ঝাড়খণ্ডের কুখ্যাত গ্যাংস্টার সুজিত সিনহা
জল্পেশ মন্দিরে ‘গভীর আস্থা’ মুখ্যমন্ত্রীর