সানী রায়, সময় কলকাতা , ১১ মে : ‘বেলা দ্বি প্রহর, ধু ধু বালূচর,ধূপেতে কলিজা ফাটে পিয়াসে কাতর’.. এই কাঠফাটা রোদে “কপোত কপোতি কান্দে কূপেতে বসিয়া” বেলা বাড়লেও কষ্ট কমছে না পাখিদের। তাই গ্রীষ্মের প্রখর দাবদাহে পাখিদের তৃষ্ণা মেটাতে অভিনব উদ্যোগ নিল উত্তরবঙ্গের একদল তরুণ -প্রাণ ।
প্রচন্ড দাবদাহে কৃষি জমির ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। খাল বিলে জল নেই। ফলে অসহায় পাখিরাও পান করার মত জল পাচ্ছে না কোথাও। এই পরিস্থিতিতে পাখিদের তৃষ্ণা মেটাতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে মহাকালগুড়ির একদল যুবক।

গরমে শহরে ও গ্রামে যখন রাস্তার একপাশে পুলিশ প্রশাসন এবং বিভিন্ন সংস্থা যখন তৃষ্ণার্ত মানুষদের জলসত্র খুলে কৃষ্ণা নিবারনের উদ্যোগ নেয় তখন অসীম শূন্যে উড়ে বেড়ানো পাখিদের কথা ভেবেছে একদল তরুণ -প্রাণ।
ডুয়ার্সের উত্তর মহাকালগুড়ি এলাকার কিছু যুবক গ্রামের ১৫ টি গাছে মাটির হাঁড়ি ঝুলিয়ে দিয়ে তাতে জল ভর্তি করে রেখেছেন। প্রতিদিন সকালে উঠেই জল দেওয়ার জন্য জঙ্গলে চলে যান ওই যুবকরা। রাহুল, রঞ্জিত, অমিত – এই তরুণরা কামাখ্যাগুড়ি ভলেন্টিয়ার অর্গানাইজেশন-এর সাথে যুক্ত এবং বরাবরই বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে থাকেন। আরও জলের হাঁড়ি -কলস ঝুলিয়ে রাখার ভাবনা তাঁদের আছে।
একদল তরুণ -প্রাণ ও তাঁদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ। তাঁদের মতে, এই প্রখর গ্রীষ্মে পাখিদের জন্য এই উদ্যোগ জীবনদানের সমার্থক , জল-ই যে জীবন ।।
আরও পড়ুন শর্মিলা নাকি অসীম? কোন সরকারে আস্থা রাখছে বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্র ?


More Stories
গন্ডারের হামলায় জলদাপাড়ায় মৃত্যু বনদফতরের অস্থায়ী কর্মীর
বেজি কি সাপের বিষে কাবু হয় না?
এক সাথে পাঁচ সন্তানের জননী জ্বালা সম্পর্কে জেনে নিন, তার আবাস জানুন