সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ মেঃ শনিবার বিকালে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুলে তাজা বোমা এবং বোম তৈরির বারুদ উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর পেয়েই এগরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার হওয়া হাঁড়ি ভর্তি বোমা বালি বস্তা দিয়ে ঘিরে রেখেছিল। এরপর রবিবার সকালে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে এল বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড। সঙ্গে রয়েছে একটি দমকলের ইঞ্জিন। এগরার ফাঁকা মাঠে নিষ্ক্রিয় করা হয় বোমা। এখনও থমথমে গোটা এলাকা।
আরও পড়ুন IT Raid: ভোটের আবহে জুতো ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ৬০ কোটি উদ্ধার আয়কর দফতরের
জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মোহনপুরে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্র পালের সমর্থনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা ছিল। সেই সভায় পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল থেকে প্রচুর মানুষ যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তাঁর আগেই খাদিকুলের একটি বাগান থেকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা গিয়ে প্রচুর বোমা ও বারুদ মজুত করেছিল। জানা গিয়েছে, ১৩টি বোমা ও প্রায় ৮ কেজি বোমা তৈরির মসলা উদ্ধার করে এগরা থানার পুলিশ। অভিযোগ, এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা তৈরির কাজ চলত।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মে এগরার খাদিকুলে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় বাজি কারখানার মালিক ভানু বাগ সহ ১১ জনের মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মারাত্মক বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর ক্ষতবিক্ষত ছিলেন মূল অভিযুক্ত কৃষ্ণপদ ওরফে ভানু বাগ৷ বিস্ফোরণের ঘটনার পরই সিআইডি আধিকারিকদের হাতে ধরা পড়ে গিয়েছিলেন ভানু৷ ভানুর পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁর ছেলে পৃথ্বীজিৎ বাগ এবং ভাইপো ইন্দ্রজিৎ বাগ৷ তবে গ্রেফতার হলেও পুলিশের চোখে ধুলো দিতে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বাড়ি ছাড়েন তিনি৷ তখনও ভানু ছিলেন রক্তাক্ত৷ প্রাণ বাঁচাতে ওড়িশা পালিয়ে যায় ভানু। কিন্তু, ভানুকে রাজ্যে আনা সম্ভব ছিল না৷ ওড়িশায় পৌঁছেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন ভানু বাগকে। তাঁকে বেডের উপরে কলাপাতা বিছিয়ে শুইয়ে রাখা হয়েছিল। সেই ছবিও প্রকাশ্যেও আসে। একটু সুস্থ হলেই ভানুকে ট্রানজিট রিম্যান্ডে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই মৃত্যু হয়েছিল ভানুর।
#BombDisposalSquad
#BombFoundInKhadikul
#Latestbengalinews


More Stories
মমতা -অভিষেককে ৩০ হাজার করে ভোটে হারাতে না পারলে নাকখত দেবেন হুমায়ুন কবীর
ভাষা-সন্ত্রাস : মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিজেপি
আইনশৃঙ্খলার পাঠ : বিহারের কাছে কি পশ্চিমবঙ্গকে শিখতে হবে ?