Home » ‘ মালগাড়ির চালকের কোনও ভুল ছিল না’, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনাকাণ্ডে প্রকাশ্যে এল কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির রিপোর্ট

‘ মালগাড়ির চালকের কোনও ভুল ছিল না’, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনাকাণ্ডে প্রকাশ্যে এল কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির রিপোর্ট

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ জুলাইঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনাকাণ্ডে এবার প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট। কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির রিপোর্টে দায়ী করা হয়েছে ভারতীয় রেলের অব্যবস্থাকে। রিপোর্টে চিফ কমিশনার জানিয়েছেন, চালক ও স্টেশন মাস্টারদের যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাব। ট্রেন অপারেশনেও একাধিক ত্রুটি ছিল। রিপোর্ট তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, মালগাড়ির চালকের কোনও ভুল ছিল না, চরম অব্যবস্থায় ওই অঞ্চলে দুর্ঘটনার পরিস্থিতি তৈরি হয়ে ছিল। মূলত সিগন্যাল-ব্যবস্থার সমস্যাতেই সেদিন দুর্ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব, দুর্ঘটনা এড়াতে অটোমেটিক সিস্টেম চালু করার পক্ষে প্রস্তাব করা হয়েছে রেলওয়ে সেফটি কমিশনারের তরফে।

আরও পড়ুন   মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজ্যপালের মানহানির মামলায় বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের 

কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাঙাপানি স্টেশনের স্টেশন মাস্টারের ভূমিকা যথাযথ ছিল না। পেপার ক্লিয়ারেন্স সিগন্যাল দেওয়ার ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত কিছু ভুলের বিষয় উঠে এসেছিল।এ প্রসঙ্গে চিফ লোকোমোটিভ ইন্সপেক্টর ওমপ্রকাশ শর্মা বলেন, ‘ঘটনার দিন রাঙাপানি এবং চটের হাট স্টেশনের মধ্যে সমস্ত স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল বিকল ছিল। বিশেষ করে রাঙাপানি স্টেশনের ডাউন লাইনের স্টার্টার এবং এডভ্যান্স স্টার্টার সিগন্যাল। সেক্ষেত্রে অ্যাবসলিউট ব্লক সিস্টেমে ট্রেন চালানো উচিত ছিল।’

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জুন ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে শিয়ালদহগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন ছেড়ে রাঙাপানি ও চটেরহাট স্টেশনের মাঝে দুর্ঘটনা ঘটে। মালগাড়ি ও কাঞ্চনজঙ্ঘার সংঘর্ষে একাধিক কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মালগাড়ির চালক, সহ-চালক, কাঞ্চনজঙ্ঘার গার্ড-সহ ১১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। রেল সূত্রে জানানো হয়েছিল, শিয়ালদহগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের গতি ধীর ছিল। পিছন থেকে এসে ধাক্কা মেরেছে মালগাড়িটি। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছিল, সিগন্যালিংয়ের সমস্যার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সিগন্যাল ফেল করেই মালগাড়িটি ধাক্কা মারে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে। মালগাড়ির ধাক্কায় ট্রেনের পার্সেল ভ্যান মালগাড়ির ইঞ্জিনের ছাদে উঠে যায়। পিছনের কামরাটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। তবে,, যে কামরাটি দুমড়ে গিয়েছে, সেটি অসংরক্ষিত কামরা ছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল তাতে। প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরাই বগি কেটে ভিতর থেকে আহত এবং মৃত অবস্থায় যাত্রীদের উদ্ধার করে।

#JanakKumarGarg

#Latestbengalinews

About Post Author