Home » Bangla Pokkho: আধাসেনায় বাংলা থেকে চাকরি পাচ্ছে বহিরাগতরা, অভিযোগ তুলে বারাসাতে বিক্ষোভ বাংলাপক্ষের

Bangla Pokkho: আধাসেনায় বাংলা থেকে চাকরি পাচ্ছে বহিরাগতরা, অভিযোগ তুলে বারাসাতে বিক্ষোভ বাংলাপক্ষের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ অগষ্টঃ কেন্দ্রীয় সরকারের আধাসেনার পরীক্ষায় রাজ্যের  কোটা থেকে চাকরি পাচ্ছে বহিরাগতরা। বাইরের রাজ্য থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে এসে পাওয়া যাচ্ছে ডমিসাইল সার্টিফিকেট। প্রশাসনের একাংশের মদতে বছরের পর বছর ধরে চলছে এই বেনিয়ম। বঞ্চিত হচ্ছে রাজ্যের যুবসমাজ। এই দাবি তুলে বারাসাতে বিক্ষোভ দেখাল বাংলাপক্ষ। বৃহস্পতিবার সকালে বারাসাত থানা ও গভর্নমেন্ট কলেজের সংযোগকারী রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায় তারা। উপস্থিত ছিলে বাংলাপক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, পরীক্ষার্থীদের একাংশ-সহ অন্যান্যরা। বিক্ষোভের পর থানা থেকে ডিএম অফিস পর্যন্ত মিছিলও করেন তাঁরা।

ভুঁয়ো ডমিসাইল ব্যবহারকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি তোলেন বিক্ষোভকারীরা। মিছিল থেকে আওয়াজ ওঠে অবিলম্বে বাংলার মাটিতে হিন্দি-উর্দূ তোষণ বন্ধ হোক। বাংলার কোটায় কেবলমাত্র বাঙালি ছাত্রছাত্রীদের নিয়োগ বাধ্যতামূলক করতে হবে বলেও দাবি তোলেন তাঁরা। গর্গ অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের আধাসেনায় (বিএসএফ, সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি, অসম রাইফেলে চাকরির পরীক্ষায়) চাকরির জন্য রাজ্যের নিজস্ব কিছু কোটা রয়েছে। যেখানে পরীক্ষায় বসতে গেলে ডমিসাইল সার্টিফিকেট লাগে। কিন্তু ভুঁয়ো কাগজ ব্যবহার করে বছরের পর বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য কোটার চাকরিগুলোর লুট চলছে। রাজ্যের সাহসী, বলিয়ান ও মেধাবী ভূমিপুত্র ছেলে-মেয়েরা নিজেদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।”

আরও পড়ুনঃ একের পর এক রেল দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি : কাকলি ঘোষ দস্তিদার রেলমন্ত্রককে বিঁধে যাত্রী সুরক্ষায় বাতলালেন নিদান

তিনি আরও বলেন, “এই পরীক্ষার তিনটি ধাপ রয়েছে। প্রথমটা লেখা পরীক্ষা, দ্বিতীয় মাঠে গিয়ে পরীক্ষা এবং সর্বশেষ শারীরিক পরীক্ষা। গতবছর শারীরিক পরীক্ষার আগে চাকরীপ্রার্থীরা বাংলাপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন আমরা আন্দোলনে নেমে বাইরের রাজ্যের ছেলেমেয়েদের হাতে না হাতে ধরি। যারা পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা বলে দাবি করে। বয়স আঠারো থেকে বাইশে মধ্যে। কিন্তু দেখা যায় তাঁরা মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পাস করেছে বিহার থেকে। তা হলে ডমিসাইল পাওয়ার জন্য যে দশবছর টানা রাজ্যে থাকার ক্রাইটেরিয়া তাঁরা কী করে পূরণ করলেন কীকরে? তখন তাঁদের ধরে আমরা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি, কারণ বাংলাপক্ষ সংবিধান মেনে চলে। আমাদের কাছে এরকম অনেক কেস রয়েছে। এই নিয়ে আমরা কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাও করেছি।” ভুয়ো ডমিসাইল ব্যবহার করে রাজ্যে প্রায় পাঁচ হাজার চাকরি চুরি হয়েছে বলেও দাবি করেছেন বাংলাপক্ষের সাধারণ সম্পাদক।

আরও পড়ুনঃ রেশন দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন দেগঙ্গার তৃণমূল নেতা আনিসুর রহমান

যদিও বাংলা পক্ষের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা তাপস মিত্র জানিয়েছেন,” বিহার বা ইউপি ভারতবর্ষের বাইরে নয়। আর সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হয় মেধা ও শারীরিক ক্ষমতার ভিত্তি করে। বাংলাপক্ষ একটা সেন্টিমেন্টকে সুড়সুড়ি দিয়ে নিজেদের প্রাসঙ্গিক করে তোলার চেষ্টা করছে।”

About Post Author