Home » চেনা ছন্দে ফিরল আরজিকর হাসপাতাল, ৪২ দিন আন্দোলনের পর জরুরি পরিষেবায় কাজে যোগ দিতে শুরু করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা

চেনা ছন্দে ফিরল আরজিকর হাসপাতাল, ৪২ দিন আন্দোলনের পর জরুরি পরিষেবায় কাজে যোগ দিতে শুরু করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ সেপ্টেম্বর: আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। উত্তপ্ত রাজ্যের চিকিৎসক মহল। দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ। ক্রমশ বড় হচ্ছে প্রতিবাদের বহর। এসবের মাঝেই চেনা ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে আরজিকর হাসপাতাল। একটানা ৪২ দিন আন্দোলনের পর অবশেষে শনিবার জরুরি পরিষেবায় কাজে যোগ দিতে শুরু করেছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। এদিন সকাল থেকেই জরুরি বিভাগে কাজে ফিরেছেন তাঁরা। আরজিকর ছাড়াও রাজ্যের সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে জরুরি পরিষেবায় কাজে যোগ দিয়েছেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারেরা। তবে এখনও আউটডোরে রোগী দেখছেন সিনিয়র ডাক্তাররাই। ইতিমধ্যেই জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার তাঁদের বাকি শর্ত মানলে তবেই আউটডোরে ফের কাজে ফিরবেন।

এদিকে, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় যাতে কোনও ভাবেই কোনও খামতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে তৎপর রাজ্য সরকার। হাসপাতালগুলির চিকিৎসা পরিকাঠামো এবং চিকিৎসক, চিকিৎসাকর্মীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে ইতিমধ্যেই একগুচ্ছ পদক্ষেপ করেছে নবান্ন। জানা গিয়েছে, এবার থেকে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চালু করা হবে ‘প্যানিক বাটন’। অভ্যন্তরীণ অভিযোগগ্রহণ কমিটি সম্পূর্ণ রূপে সচল রাখা হবে। চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দ্রুত হেল্পলাইন নম্বর চালু করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে সিকিউরিটি অডিটও করা হবে। এর দায়িত্বে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস তথা প্রাক্তন ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ। এই মর্মে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ।

আরও পড়ুন   Anubrata Mondal: জামিনে মুক্তি অনুব্রতর, পুজোর আগেই ফিরছেন বীরভূমে

ওই চিঠিতে মুখ্যসচিব লিখেছেন, চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের তথা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত পুলিশকর্মী মোতায়েন রাখতে হবে। রাতে প্রতিটি হাসপাতালে স্থানীয় থানার পুলিশের টহলদারিও রাখতে হবে। পাশাপাশি, প্রতিটি হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তারদের জন্য নির্দিষ্ট বিশ্রামঘর ও শৌচালয়ের ব্যবস্থা করা হবে। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের অভিযোগ জানানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে ওই চিঠিতে। এছাড়া কোনও রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ভাবে একটি ‘রেফারেল সিস্টেম’ দ্রুত চালু করার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতালে পানীয় জলের যথাযথ বন্দোবস্ত রয়েছে কিনা সেদিকে নজর দিতে হবে। সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীদের জন্য কতগুলি শয্যা ফাঁকা রয়েছে, সেদিকে নজর দিতে হবে। সেইসঙ্গে সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য প্রতিটি হাসপাতালে এই সংক্রান্ত একটি ডিসপ্লে বোর্ড রাখতে হবে। একই সঙ্গে ডাক্তার, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের শূন্যপদ দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

#RGkarHospital  #RGKARDoctorDeath  #Latestbengalinews #RGkarProtest

About Post Author