সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ সেপ্টেম্বর: আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। উত্তপ্ত রাজ্যের চিকিৎসক মহল। দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ। ক্রমশ বড় হচ্ছে প্রতিবাদের বহর। এবার আরজিকরে চিকিৎসক মৃত্যুর ঘটনায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ‘ঘনিষ্ঠ’ বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে তলব করল সিবিআই। ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের তলবে সাড়া দিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছছেন বিরূপাক্ষ বিশ্বাস। জানা গিয়েছে, আরজিকর কাণ্ডের পরেই বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে ‘থ্রেট কালচার’-এ বড় ভূমিকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।
সেইসঙ্গে অভিযোগ ওঠে, গত ৯ আগস্ট, চিকিৎসক খুনের দিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক বিরুপাক্ষ আরজিকরে উপস্থিত ছিলেন। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হয়েও তিনি চিকিৎসক খুনের দিন আরজিকরে কী করছিলেন? সেই বিষয়ে সিবিআই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে, বিরুপাক্ষের পাশাপাশি সিবিআই-এর স্ক্যানারে রয়েছেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন আরএমও অভীক দে-ও। ‘থ্রেট কালচার’-এর নেপথ্যে অভীকের সক্রিয় মদত ছিল বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)-এর রাজ্য শাখা এবং রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলও তাঁকে সাসপেন্ড করেছে।

প্রসঙ্গত, আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই বিরূপাক্ষ বিশ্বাস এবং অভীক দে-র নাম জড়িয়েছিল একের পর এক বিতর্কে। একাধিক মেডিক্যাল কলেজে ‘থ্রেট কালচার’-এ বড় ভূমিকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁকে সাসপেন্ডও করেছে স্বাস্থ্য ভবন। বিরূপাক্ষ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্যাথোলজি বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক ছিলেন। আরজিকর কাণ্ডের আবহে একটি অডিয়ো ভাইরাল হয়েছিল। ভাইরাল হওয়া সেই অডিয়োর সূত্র ধরেই উঠে আসে বিরূপাক্ষের নাম। বিরূপাক্ষকে সেই অডিয়োয় জুনিয়র ডাক্তারদের ‘হুমকি’ দিতে শোনা গিয়েছিল। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে বৌবাজার থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়। যদিও বিরূপাক্ষ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
#RGkarHospital #RGkarFormerPrincipalSandeepGhoshresigned #SandeepGhosh #RGKARDoctorDeath ,#Latestbengalinews #BirupakshaBiswas #BurdwanMedicalCollege


More Stories
মেসিকাণ্ড ঘিরে “কুৎসা”, ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন সৌরভ
আরজিকরের তরুণ চিকিৎসকের অস্বাভাবিক মৃত্যু, নেপথ্যে কোন রহস্য ?
নাটকীয় দৃশ্য। সেনার ট্রাক আটকাল কলকাতা পুলিশ !