সময় কলকাতা ডেস্ক, ৪ অক্টোবর: সাত সকালে বোমা বর্ষণ ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে। শুক্রবার সকালে তাঁর ভাটপাড়ার বাড়িতে বোমার সঙ্গে ইট-গুলি নিয়ে দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। বোমার আঘাতে গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন বলে দাবি অর্জুনের। আপাতত বাড়িতেই আছেন তিনি। বিজেপি নেতার উপর এই রকম আকস্মিক হামলার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দলের মেঘনা মোড় এলাকায়।

আরও পড়ুন: টালিগঞ্জে ‘রাত দখল’ কর্মসূচিতে দুষ্কৃতী হামলা, উচ্চ আদালতে মামলার আর্জি তৃণমূলের বিরুদ্ধে
শুক্রবার সকালে অর্জুন সিংয়ের মেঘনা মোড়ের বাড়ির মজদুর ভবনের বাইরে মোটরসাইকেলে করে আসে কয়েকজন দুষ্কৃতী। প্রাক্তন সংসদের বাড়ি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু গুলি-ইট সঙ্গে বোমাও ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অর্জুন । সেই বোমারই স্প্লিনটারের আঘাতে ঘায়েল হয়ে যান বিজেপি নেতা। তাঁর অভিযোগ এই হামলা চালিয়েছে ভাটপাড়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামীরা। অর্জুন আরও বলেছেন, হামলার সময় তাঁর প্রতিরক্ষা কর্মীদের উপর ২৫টির বেশি বোমা ছুড়েছে স্থানীয় ওই কাউন্সিলরের ছেলে সহ তাঁর ১৫ জন সঙ্গীরা। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের জেট ক্যাটাগড়ির সিকিউরিটি প্রাপ্ত এই নেতার বাড়িতে ৩ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সঙ্গে বেশ কয়েকটি বোমা ও ইটও ছোড়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: Alcohol: পূজোর আগে সুখবর সুরাপ্রেমীদের জন্য, পুরানো দামেই মিলবে বিয়ার-মদ
উল্লেখ্য, এই প্রথম নয়। অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে হামলা এই আগেও হয়েছে। ২০২১ বিধান সভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দুর কাছে হেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই উপ নির্বাচনে তৎকালীন বিজেপি সংসদ অর্জুন সিং নিজের পার্টির হয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষকের ভূমিকা পালন করেছিলেন। কার্যত সেই কারণেই তাঁর উপর তৃণমূল হামলা করেছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। যদিও তারপরে আবার গেরুয়া থেকে ঘাসফুল , ঘাসফুল থেকে গেরুয়া শিবিরে যাতায়াত করেছেন। শেষবার টিকিট না পাওয়ার ক্ষোভে তৃণমূল ছেড়েছিলেন তিনি। এদিন তাঁর উপর ফের এই প্রাণঘাতী হামলার জন্য নিজের প্রাক্তন দল তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন অর্জুন।


More Stories
জেলা সংসদীয় সভাপতির পদ ছাড়লেন কাকলি, নাম না করে কাকে আক্রমণ?
পুলিশের জালে তৃণমূল নেত্রী, তোলা হল বারাসাত আদালতে
ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেল নিষিদ্ধ!