সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৮ নভেম্বর: র্যাগিং যেখানে গোটা দেশে দণ্ডনীয় অপরাধ, সেখানে সিনিয়র দাদাদের এই ঘৃণ্ন আচরণের জেরে গুজরাটে মৃত প্রথম বর্ষের ডাক্তারি পড়ুয়ার। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে ধারপুর পাটনে জিএমইআরএস মেডিক্যাল কলেজে সাড়া পড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে মৃত পড়ুয়াকে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। যার জেরেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

আরও পড়ুনঃআপ ছেড়েই গেরুয়া শিবিরে কৈলাস, “ওঁ এখন মুক্ত, যেখানে খুশি যেতে পারে” : অরবিন্দ
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত পড়ুয়ার নাম অনিল মেথানিয়া। মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার পর সিনিয়র দাদাদের কাছে নতুন প্রবেশ করা পড়ুয়াদের নিজের পরিচয় দেওয়ার পর্ব চলছিল। কলেজের ভাষায় যার নাম ‘ইন্ট্রোডাকশন’ পর্ব। এর আড়ালেই চলছিল র্যাগিং। অভিযোগ, এই সময় সিনিয়র দাদারা ওই তরুণকে দাঁড়িয়ে থাকার শাস্তি দেয়। ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকার পর অজ্ঞান হয়ে যান অনিল। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। সেখানেই কিছুক্ষণ পরই মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশ জানিয়েছে মৃত্যুর আগে পুলিশকে র্যাগিংয়ের বিষয়ে সব জানিয়েছে গিয়েছেন অনিল। ছেলের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছে মৃত পড়ুয়ার পরিবার। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে আসার পর স্পষ্ট হবে ঠিক কী কী নির্যাতন চালানো হয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ দুর্গাবিসর্জন : চলে গেলেন পথের পাঁচালীর “দুর্গা” উমা দাশগুপ্ত
এই ঘটনা প্রসঙ্গে অনিলের খুড়তুতো ভাই ধর্মেন্দ্র বলেন, “পাটনের ওই মেডিক্যাল কলেজ থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে সুরেন্দ্র নগর জেলায় তাঁদের বাড়ি। কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়ারা ভাইকে র্যাগিং করেছে। যার জেরে তার মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অপরাধীদের কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি আমরা।” এদিকে কলেজের ডিন হার্দিক শাহ বলেন, “ওই পড়ুয়া অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আমরা হাসপাতালে ভর্তি করি। পরে জানতে পারি তাঁর সঙ্গে র্যাগিং হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ওই ছাত্রের বাবা পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে কাউকে দোষী পেলে তাঁর বিরুদ্ধে অবশ্যই পদক্ষেপ নেব।


More Stories
শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জয়প্রকাশ
কলকাতার বুকে গ*ণধ*র্ষণ
পুলিশের জালে পলাতক ও অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন