সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৬ নভেম্বর: দত্তপুকুর রহস্যমৃত্যুকাণ্ডে সামনে এল নতুন তথ্য! মদের আসরে বন্ধুর বউকে কটুক্তি করার খেসারত দিতেই খুন হতে হল পরিতোষ পান্ডেকে। দত্তপুকুর এ মিষ্টির দোকানে কর্মরত ওই ব্যক্তির দেহ গতকাল সকালে উদ্ধার করে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। পরিতোষের গোটা দেহ রক্তে মাখামাখি হয়ে পড়েছিল। মাথায় এবং গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের দাগ ছিল স্পষ্ট। তদন্ত করতে নেমে পুলিশ দেখে মৃত যে মিষ্টির দোকানে কাজ করত সেই দোকানে কর্মরত অন্য এক কর্মী সকাল থেকেই বেপাত্তা। বর্ধমানের পূর্বস্থলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গতকাল রাত্রে দত্তপুকুর থানায় এনেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: মোরেনা শহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ২ মহিলা
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম বিশ্বজিৎ দাস। সে এবং মৃত পরিতোষ একই দোকানে কাজ করার সুবাদে পরিচিত। মাঝেমধ্যেই একসঙ্গে বসে মদ্যপানও করতেন তাঁরা। রবিবার রাত্রে দুজনে একসঙ্গে পরিতোষের বাড়িতে বসে মদ খাচ্ছিলেন। সেই সময় পরিতোষ বিশ্বজিতের বউ সম্পর্কে কটু মন্তব্য করে। অভিযোগ, তার প্রতিবাদে পরিতোষকে মারধর করে এবং একই সঙ্গে তাঁর বাড়ির বটি দিয়ে গলায় আঘাত করেন অভিযুক্ত। একইসঙ্গে লোহার রড দিয়ে একাধিকবার মাথায় আঘাত করেছেন। এরপর পরিস্থিতি খারাপ বুঝে সেখান থেকে পালান বিশ্বজিৎ। তবে শুধু কী বউয়ের প্রসঙ্গে কুমন্তব্য না টাকা পয়সা সংক্রান্ত কোনো জটিলতা, কেন এই খুন করল অভিযুক্ত? সমস্তটা বিষয়টা খতিয়ে দেখছে দত্তপুকুর থানার পুলিশ।
আরও পড়ুন: ভারতীয় উপমহাদেশে সৌরভ ছড়াচ্ছে বারাসতের গৌরব!
প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে দত্তপুকুরে নিজের বাড়ির বিছানা থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল বছর পঁয়তাল্লিশের পরিতোষ পান্ডের। দত্তপুকুর থানার অন্তর্গত চালতা বেড়িয়া দাসপাড়া এলাকার তাঁর বাড়ি। অন্যান্য দিনের মত সোমবার সঠিক সময়ে দোকানে না যাওয়ায় তাঁর খোঁজ করে দোকানের মালিক। তারপর ডাকাডাকি হতেই নিজের ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। পুলিশ গতকাল দেহ উদ্ধারের পরেই সন্দেহ করেছিল, খুন করা হয়েছে পরিতোষকে। আজ সেই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েই অভিযুক্ত সহমর্মী বিশ্বজিৎকে গ্রেফতার করেছে দত্তপুকুর থানার পুলিশ।


More Stories
পারিবারিক ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্ত্রীকে খু*ন করে আত্ম*ঘাতী স্বামী
জামিনে মুক্তি পেয়ে ৬ জনকে খু*ন করল যৌ*ন হেনস্থায় অভিযুক্ত
গণপিটুনিতে নিহতের পরিবারের হাতে ২৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী