Home » বকেয়া ১৩৫ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল মেটানোর কড়া নির্দেশ বাংলদেশকে, আদানির পর এবার ত্রিপুরা 

বকেয়া ১৩৫ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল মেটানোর কড়া নির্দেশ বাংলদেশকে, আদানির পর এবার ত্রিপুরা 

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ ডিসেম্বর: দাঙ্গা পরিস্থিতিতে জর্জরিত বাংলাদেশ। চিন্ময় প্রভু প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক কালে বারবার ভারতের তোপের মুখে পড়ছে পড়শীরা। সেই অবহেই এবার ইউনূস সরকারকে বকেয়া ঋণ শোধের জন্য চাপ বাড়াল ত্রিপুরা। আগে থেকেই ঘাড়ের কাছে নিশ্বাস ফেলছে আদানি, তার ওপর ফের ত্রিপুরার চাপ চিন্তা বাড়ল বাংলাদেশের।

আরও পড়ুন: “রাত দখলের নামে চলেছে ফুর্তি”, অপরাজিতা বিল প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্য লাভলির

হাসিনা সরকার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর চলছে মর্মান্তিক অত্যাচার। কার্যত পড়শীর বিরুদ্ধে বারবার সরব হয়েছে ভারত। তাঁদের সবজি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। এবার ত্রিপুরার রোষের মুখে ইউনূসের বাংলদেশ। অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অবিলম্বে তারা যেন ১৩৫ কোটি টাকার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে।  ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক চুক্তি হয়েছিল ত্রিপুরা সরকারের। এই চুক্তির মাধ্যমে ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে পাঠানো হত বিদ্যুৎ। এ প্রসঙ্গে ত্রিপুরার বিদ্যুৎমন্ত্রী রতনলাল নাথ জানান, “এখনও পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল বাবদ বাংলাদেশের কাছ থেকে ১৩৫ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে আমাদের। ধীরে ধীরে সেই টাকা শোধও দিচ্ছে তারা। আমরা ইউনিট পিছু ৬.৬৫ টাকা কমে বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ দিচ্ছি।” ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি কর্পোরেশন লিমিটেড (টিএসইসিএল) বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভলপমেন্ট বোর্ডকে (বিপিডিবি)। কিন্তু বকেয়া টাকা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যেতেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করেছিল টিএসইসিএল। চলতি বছরের মে মাসে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে গত এক বছর ধরে সময়মতো টাকা শোধ দেয়নি বাংলাদেশ। ফলে বেড়েছে বকেয়া। এর মাঝে বাংলাদেশে চলতে থাকা ভারতবিরোধী কার্যকলাপ ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনার জেরে ইউনুস সরকারকে দ্রুত এই বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ত্রিপুরার তরফে।

About Post Author