সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ ডিসেম্বর: রাগের মাথায় প্রেমিকের যৌনাঙ্গে ধারালো অস্ত্রের কোপ। অল্প দিনের সম্পর্কে বেশকিছু বিষয় নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত যুগলের মধ্যে। এরপর বাড়ির পাশের বাগানে নিয়ে গিয়ে প্রেমিককে আদরের চলে গাছের সঙ্গে বেঁধে খুনের চেষ্টা চালান তরুণী। প্রেমিকের যৌনাঙ্গ কেটে প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন বলেই ধারণা পুলিশের। প্রেমিকের আর্তনাদ শুনে ছুটে আসে এলাকার লোকজন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। সেখান থেকে অভিযুক্ত তরুণীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এমন কি অশান্তির সৃষ্টি হল যে, প্রিয় মানুষের যৌনাঙ্গ কেটে খুন করার মত পকক্ষেপ নিতে দু’বার ভাবলেন না তরুণী!

আরও পড়ুন: কোন মন্ত্রবলে হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা হয়ে ইস্টবেঙ্গলকে পথ দেখাচ্ছেন অস্কার ব্রুজো?
স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার ডোমজুড় থানা এলাকায়। জখম যুবকের নাম আব্দুর রহমান। অভিযুক্ত প্রেমিকার নাম সোমাইয়া খাতুন। আব্দুর এবং সোমাইয়ার দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক। তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে পারিবারিক কোনও সমস্যা ছিল না। কিন্তু সম্প্রতি দু’জনের মধ্যে ঠিক ভাবে বনাবন্তী হচ্ছিল না। জানা যাচ্ছে, শুক্রবার রাতে প্রেমিককে নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান ওই তরুণী। সেই মতো হাজিরও হন আব্দুর। দু’জনে বেশ কিছু ক্ষণ কথাবার্তা বলেন। গল্প করতে করতে আব্দুরকে বাড়ির কাছে বাগানে নিয়ে যান সোমাইয়া। সেখানে আদর করার ছলে একটি গাছের সঙ্গে প্রেমিকের হাত-পা বাঁধেন তরুণী। বেঁধে দেন চোখও। তার পর ধারালো অস্ত্র বার করে প্রেমিকের যৌনাঙ্গে কোপ বসান। যুবকের যৌনাঙ্গ থেকে ফোয়ারার মত রক্ত বের হতে থাকে। যন্ত্রনায় চিৎকার করতে থাকেন আব্দুর। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। রক্তাক্ত অবস্থায় যুবককে দেখে চমকে শিউরে ওঠেন সকলে। প্রাণ বাঁচাতে তৎক্ষণাৎ তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পুলিশ সূত্রের খবর, তরুণীকে গ্রেফতারের পরে সামান্য চাপ দিতেই সোমাইয়া জানিয়েছেন, তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতেন প্রেমিক। তাই তাঁকে জব্দ করতে এই কাণ্ড করেছেন। যদিও কী নিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয়েছিল তাঁকে, তা বিস্তারিত ভাবে জানা যায়নি।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!