Home » এটাই শেষ উপায়! ৪২ ঘন্টা পরেও ১৫০ ফুটের ‘মরণ কুয়ো’তেই আটকে আরিয়ান

এটাই শেষ উপায়! ৪২ ঘন্টা পরেও ১৫০ ফুটের ‘মরণ কুয়ো’তেই আটকে আরিয়ান

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১১ ডিসেম্বর: প্রায় দু’দিন হতে চলল, এখনও ১৫০ ফুট গভীর গর্তে আটকে ৫ বছরের আরিয়ান।  বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টায় খামতি নেই। তবু সুরাহা করা যায়নি। অবশেষে নতুন পন্থা নিল উদ্ধারকারীরা। শিশুটির আটকে থাকা মূল গর্তের পাশে অন্য একটি তির্যক গর্ত খুঁড়ে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু হয়েছে। এতে কি কাজ হবে? চাতকের মত তাকিয়ে শিশুর পরিবার। অন্যদিকে, ওই অন্ধকার সুড়ঙ্গে দমবন্ধ পরিস্থিতিতে আটকে থাকা শিশুর শরীরিক অবস্থা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বাবা-মা। সকলের মনে প্ৰশ্ন একটাই, ৪২ ঘন্টা কেটে গিয়েছে। আর কতক্ষণ?

আরও পড়ুন: OPTICAL ILLUSION: বেশিরভাগ পাঠক ৫০ সেকেন্ডের মধ্যে নিচের ছবি দুটি থেকে ৩ টি পার্থক্য খুঁজে বের করতে পারেননি, আপনি পারবেন?

অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের দৌসায় কালিখাড় গ্রামে। গত সোমবার মায়ের সঙ্গে মাঠের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল ছোট্ট আরিয়ান। সেই সময় নলকূপ বসানোর বোরওয়েলের কাছে খেলতে গিয়ে তার মধ্যে পড়ে যায় শিশুটি। সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনার কথা অদূরেই বাড়িতে পৌঁছে দেন এক মহিলা। খবর যায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছে। সময় নষ্ট না করে জাতীয় ও রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী শিশুটিকে উদ্ধার করতে তড়িঘড়ি সেখানে উপস্থিত হয়। ভিতরে যাতে অক্সিজেনের সমস্যা না হয় তার জন্য পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন পাঠানো হচ্ছে। ভেতরে ক্যামেরা প্রবেশ করিয়ে শিশুটির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। গতকাল রাতে শিশুর শারীরিক অবস্থার খবর নিতে ও পরিবারকে মনবল জোগাতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন মন্ত্রী কিরোড়ি লাল মিনা।

আরও পড়ুন: ইসকনের ভক্ত হওয়ায় খুনের হুমকি! বাঁচতে কাঁটাতার পেরতেই ভারতে গ্রেফতার বাংলাদেশি নাবালিকা

সূত্রের খবর, এনডিআরএফের উদ্ধারকারী দল শিশুটিকে উদ্ধার করতে এখনও পর্যন্ত পাঁচটি পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। মাধোপুর থেকে হাইটেক মেশিন নিয়ে আসা হয়। বোরওয়েলের মধ্যে ছাতার মতো একটি যন্ত্র ঢোকানো হয় যাতে শিশুটিকে তাতে আটকে বের করে আনা যায়। সব শেষে একটি রিং ঢোকানো হয় ভিতরে, তাতেও কাজ হয়নি। এই অবস্থায় মঙ্গলবার শেষ রাতে সেখানে আনা হয় পাইলিং মেশিন। আগে থেকেই জেসিবির সাহায্যে গর্ত খোড়ার কাজ চলছিল গর্তের পাশে। তা দ্রুত শেষ করতে মঙ্গলবার রাত ৩টে থেকে কাজে নেমেছে নতুন আরও একটি মেশিন। বোরওয়েলের পাশে তির্যক ভাবে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ শুরু হয়েছে। এটাই এখন শেষ রাস্তা বলে মনে করছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে যে গর্তে আটকে পড়ে শিশুটি, তার পাশেই সোম ও মঙ্গলবার রাতে ১০ টি জেসিবি দিয়ে খনন কার্য চলেছে। তবে তাতে করেও শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি কারণ ৮০ থেকে ৯০ মিটারের বেশি খুড়তে পারেনি জেসিবি।

About Post Author