Home » মহাভারতের অশ্বথামা আজও ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে!

মহাভারতের অশ্বথামা আজও ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে!

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১২ ডিসেম্বর : নাগঅশ্বিন মুভিতে অমিতাভ বচ্চন অশ্বথামার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। মহাভারতের কৌরব ও পাণ্ডবদের  যুদ্ধ কবেই চুকে গিয়েছে। তবুও জনশ্রুতি, আজও বেঁচে আছেন অশ্বথামা ।আজও শোনা যায়, ভারতের পথে প্রান্তরে- জঙ্গলে – গুহায় তাঁর বিচরণ।

মহাভারতের যুদ্ধের শেষ অধ্যায়ে কৌরবপক্ষে জীবিত হিসেবে অবশিষ্ট ছিলেন দ্রোণাচার্য পুত্র অশ্বথামা ।পৌরাণিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কৃষ্ণের অভিশাপ ছিল, অশ্বথামাকে বেঁচে থাকতে হবে। অমরত্ব আশীর্বাদ নয়, অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছিল তাঁর জীবনে। কৃষ্ণ বলেছিলেন, দুর্ভোগে বাঁচতে হবে অশ্বথামাকে। তাঁর মাথা থেকে মণি খুলে নেওয়া হয়েছিল। শেষ জীবনে , জঙ্গলে চলে যান তিনি। বেঁচে আছেন কি তিনি। অনেকে বলেন কলিযুগে এমনকি এখনও বেঁচে আছেন অশ্বথামা। কিন্তু ৫০০০ বছর কি কেউ বাঁচতে পারে? একাধিক মানুষ তাঁকে দেখতে পাওয়ারও দাবি করেছেন। অভিশপ্ত এই যোদ্ধাকে নিয়ে  একাধিক গল্প-কাহিনী যা নিয়ে রয়েছে চিরকালীন আগ্রহ। কিন্তু প্রমাণ কি কিছু আছে? আশ্চর্যজনকভাবে একাধিক চমকপ্রদ কাহিনী রয়েছে তাঁর অস্তিত্ব নিয়ে।

গুজরাটের নওসারিতে এক রেলকর্মী বলেছিলেন জঙ্গলের মধ্যে তার সঙ্গে দেখা হয় প্রায় ১২ ফুট লম্বা এক মানুষের সঙ্গে যার কপালে একটি গভীর ক্ষতচিহ্ন ছিল যা বহু পুর্বের  আঘাত বলে মনে হয়েছিল। এত দীর্ঘপুরুষ দেখে কার্যত বিহ্বল হয়ে পড়া রেল কর্মী দীর্ঘকায় মানুষটির সঙ্গে  আলোচনার পরে জানতে পারেন তিনি আর কেউ নন অশ্বত্থামা। তিনি মহাভারতের সময়ের বহু কাহিনীর কথাও রেল কর্মীকে প্রমাণ হিসেবে জানান। রেল কর্মীর মনে হয়েছিল, শুধু অতীতের সাক্ষীবাহী এই মানুষটি।

আরেকটি ঘটনার সাক্ষী ইতিহাসখ্যাত  সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহান। ১১৯১-৯২ খ্রিস্টাব্দে মহম্মদ ঘোরীর কাছে যুদ্ধে হেরে জঙ্গল-যাপন করতে হয় পৃথ্বীরাজ চৌহানকে। সেসময় দেখা হয়ে যায় সুদীর্ঘ অশ্বথামার সঙ্গে। তাঁর ও মাথায় ছিল গভীর গর্ত যা পৃথ্বীরাজ চৌহান চিকিৎসা করেও সারাতে পারেন নি, জানতে পারেন এই ক্ষত উপশমের কোনও উপায় নেই।

বিভিন্ন সময় বহু মানুষের চোখে পড়েছেন তিনি- কথাও হয়েছে সাক্ষাতে প্রবীণ মানুষের সঙ্গে।কথোপকথন হতেই সেখানেই অশ্বথামা জানিয়েছেন,দ্বাপর-উত্তর যুগ থেকে কলিযুগ পর্যন্ত তাঁর ৫০০০ ধরে পথ চলা অব্যাহত। অনেকেই বলেছেন,গুজরাটের নর্মদা তীর থেকে কর্ণাটক সর্বত্র দেখা গিয়েছে অশ্বথামা – বহুবার। সব বর্ণনায় রয়েছে প্রায় একই কথা। তিনি গভীর নীল চোখের অধিকারী  অত্যন্ত দীর্ঘ পুরুষ। সকলেই বলেছেন বিশাল আকার তাঁর। তবে উচ্চতা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে -কেউ বলেছেন ৮ ফুট লম্বা -কেউ বলেছেন ১২ ফুট।  বিশ্বাস -অবিশ্বাসের টানাপোড়েন থেকেই গিয়েছে।

আজও বেঁচে আছেন অশ্বথামা #আজও বেঁচে আছেন অশ্বথামা

আরও পড়ুন Zimbabwe vs Afghanistan: নবীনের ভুলে পাঁচ বছর পর রাজাদের কাছে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হার আফগানদের

 

About Post Author