সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ ডিসেম্বর: আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ‘এক দেশ, এক ভোট’ এর সফর। জল্পনা মতোই জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি (জেপিসি) বা যৌথ সংসদীয় কমিটিতে যাচ্ছে ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিল। মন্ত্রিসভায় আলোচনা চলাকালীন বিলটি জেপিসি-তে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যা কার্যকর করা হচ্ছে। মঙ্গলবার লোকসভায় এই কথা জানালেন জানালেন কেন্দ্রীয় আইন প্রতিমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। যদিও এর বিরুদ্ধে আজও সরব হয়েছেন বিরোধীরা।
আরও পড়ুন: টিএমসিপি বনাম এসএফআইয়ের লড়াইয়ে মুখ ফাটল পুলিশের, চাঞ্চল্য বারাসাত কলেজে
নির্ধারিত সময় মেনে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় সংসদে এক দেশ, এক নির্বাচন বিল লোকসভায় পেশ করেন কেন্দ্রীয় আইন প্রতিমন অর্জুনরাম মেঘওয়াল। এর পর আলোচনা পর্বে বিলের বিরোধিতায় সরব হন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদদের। চড়া সুরে বিলটির বিরোধিতা করে তৃণমূল কংগ্রেস। বিলটি লোকসভায় পেশ হওয়ার পর বিলের বিরোধিতায় সরব হন কংগ্রেস সাংসদ মণীশ তিওয়ারি। তিনি বলেন, এই পদ্ধতি গণতন্ত্রের মূল ভাবনার পরিপন্থী। পাশাপাশি সপা সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব বলেন, যারা একসঙ্গে ৮ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন করাতে পারছে না, তারা কোন মুখে গোটা দেশে একসঙ্গে নির্বাচনের কথা বলে। এর পর বক্তব্য রাখতে উঠে এই বিলের বিরুদ্ধে বিজেপিকে নিশানা করেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সবমিলিয়ে তুমুল হই হট্টগোল বেঁধে যায় লোকসভায়। এর মাঝেই বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য জেপিসি-তে পাঠানো হল বিলটি
আরও পড়ুন: দল সাসপেনশন তুলেছে আগেই, এবার শ্লীলতাহানির মামলায় তন্ময়ের আগাম জামিন হাইকোর্টে
বিলটি নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের অন্দরেই মতানৈক্য রয়েছে। ফলে বিল পাশের ক্ষেত্রে সেই ‘ফাটল’ অন্তরায় হতে পারে বলে আশঙ্কা। তাই এধরনের কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না গেরুয়া শিবির। তা স্পষ্ট করেই বিলটি জেপিসি-তে পাঠাচ্ছে তারা। কমিটিতে শাসকদলের পাশাপাশি বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও থাকেন। তাই সেখানে বিলটি নিয়ে ‘গণতান্ত্রিক’ আলোচনা হবে। জেপিসি-তে পাঠানোর আরও একটি সুবিধা রয়েছে। কমিটিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজেদের সংশোধনী পেশ করতে হয়। তার পর বিলটি লোকসভায় পেশ করে ভোটাভুটির প্রস্তাব দেবে বিজেপি।


More Stories
জামাইকার বিরুদ্ধে লড়াই করে হারল ভারত
নাবালিকা ধ*র্ষণ-হ*ত্যার ঘটনায় পুলিশের হাসিঠাট্টা
আবার বাড়ল পেট্রোল, ডিজেলের দাম