Home » মালদহে কাউন্সিলর খুনের ধৃত তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কারের সম্ভাবনা

মালদহে কাউন্সিলর খুনের ধৃত তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কারের সম্ভাবনা

`সময় কলকাতা ডেস্ক:- তৃণমূল কাউন্সিলর খুনে ধৃত মালদহের তৃণমূল নেতা নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারিকে  বহিষ্কারের সম্ভাবনা। জেলা তৃণমূল সূত্রে এমনই খবর। সূত্রের দাবি, জেলা নেতৃত্বের কাছে বহিষ্কারের চিঠি পৌঁছে গিয়েছে। উল্লেখ্য, মালদহের কাউন্সিলর বাবলা সরকার ওরফে দুলাল খুনের মূল পান্ডা হিসেবে তৃণমূল নেতা নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রের খবর, বাবলার সঙ্গে নরেন্দ্রনাথের দীর্ঘদিনের সমস্যা। বিভিন্ন বিষয়ে দুজনের মধ্যে রেষারেষি চলত। খুনের নেপথ্যে এই রেষারেষি কাজ করছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত। তবে এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার জানান, দুলালকে খুনের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা সুপারি দেওয়া হয়। তৃণমূলের এই দুই নেতা নরেন্দ্রনাথ ও স্বপন সুপারি দিয়েছিল। খুনের আগে বেশ কয়েকদিন রেইকি করে দুষ্কৃতীরা। তারপর খুন করা হয় কাউন্সিলরকে। তবে ৬ দিন কেটে গেলেও, কী কারণে খুন হলেন কাউন্সিলর তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর মাঝেই নরেন্দ্রনাথ দত্তকে বহিষ্কার করা হতে পারে সূত্রের খবর।

তৃণমূল কাউন্সিলর দুলাল ওরফে বাবলা সরকার খুনের তদন্তে নেমে আগেই ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার মালদহ টাউনের তৃণমূল সভাপতি তথা হিন্দি সেলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি ও তাঁর দুই ভাই ধীরেন্দ্রনাথ এবং অখিলেশকে তলব করে পুলিশ। ম্যারাথন জেরার পর বুধবার সকালে নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারিকে গ্রেপ্তার করা। গ্রেপ্তারির পরই নরেন্দ্রনাথ দাবি করেন, তিনি নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। এর নেপথ্যে ‘বড় মাথা’ রয়েছে বলেই দাবি করে নরেন্দ্রনাথ। কিন্তু কাকে নিশানা করল ধৃত? তা নিয়ে ধোঁয়াশা। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দল তাঁকে বহিষ্কার করলো।

About Post Author