Home » মালদহে আবার শুট আউট! গুলিবিদ্ধ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি, ঘটনাস্থলে ১ তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু ,দেখুন ভিডিও

মালদহে আবার শুট আউট! গুলিবিদ্ধ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি, ঘটনাস্থলে ১ তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু ,দেখুন ভিডিও

সময় কলকাতা, তনুজ জৈন ,মালদহ:-পরপর শুট আউটের ঘটনা ঘটায় ক্রমশ বাড়ছে মালদহের রাজনীতির উত্তাপ। দুলাল খুনের রেশ এখনও কাটেনি তার ১২ দিনের মাথায় আবার শুট আউটের ঘটনা মালদহে। এবার শিলান্যাস অনুষ্ঠানেই গুলিবিদ্ধ হলেন কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের নওদা যদুপুর তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বকুল শেখ।

১২ দিন আগে তৃণমূল নেতা ও কাউন্সিলর দুলাল সরকারকে প্রকাশ্য দিবালোকে দোকানের ভিতর ঢুকে গুলি করে হত্যা করে দুষ্কৃতীরা। দুলাল সরকার খুনের ঘটনায় দলের টাউন সভাপতি তথা হিন্দি সেলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দলের নেতাকে খুন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার দলের এক নেতা। ফলে বিরোধীরা কোমর বেঁধে নেমে পড়ে বিরোধীতায়।

তৃণমূল দলের ভিতরেও তোলপাড় শুরু হয় এই খুনের ঘটনা নিয়ে। ২০২২ সালে দলের এক কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে আক্রান্ত হয়েছিলেন ইংরেজবাজার শহর তৃণমূলের সভাপতি নরেন্দ্র নাথ তিওয়ারির লোকজন। তখন থেকেই সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল দুলাল ও নরেন্দ্রর। সেই ঘটনার প্রতি হিংসার আগুনেই এই ঘটনা বলে ইঙ্গিত করেছিলেন ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। মালদহে গিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত বক্সী সহ একাধিক তৃণমূল নেতা। মনে করা হচ্ছিল দলীয় কোন্দল কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়েছে।

দেখুন ভিডিও:

দলীয় কোন্দল

কিন্তু ১২ দিনের মাথায় মালদহে ফের শুট আউট এর ঘটনা ঘটায়, দলীয় কোন্দল যে দলের নিচু তলায় ধিক ধিক করে জ্বলছে তা প্রমাণিত। মঙ্গলবার সকালে একটি রাস্তার শিলান্যাস অনুষ্ঠানে কালিয়াচকের তৃণমূল নেতা বকুল শেখ উপস্থিত হলে, তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। কয়েক রাউন্ড ফায়ার করে দুষ্কৃতীরা। দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে তৃণমূল কর্মী হাসা শেখ। গুলিতে আহত হন তৃণমূল নেতা বকুল শেখ ও এসারুদ্দিন শেখ। রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের দুজনকে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ইতিমধ্যেই দলের অন্দরমহলে কানাঘুষো শুরু হয়েছে এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূল কর্মী জাকির শেখ। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে এই দুষ্কৃতী হামলা কেন? শুধু কি গোষ্ঠী কোন্দল? নাকি এর পিছনে রয়েছে জমি এবং অর্থ। অভিযুক্তদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে অনেকের মতে এই সমস্ত কিছুর পিছনে রয়েছে এলাকার দখলদারি, প্রমোটিং থেকে টাকা আদায় এবং জমির ব্যবসা। এখন দেখার দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গোষ্ঠী কোন্দল এবং অপরাধের এই ধারাবাহিকতা কিভাবে ট্যাকেল করে?

About Post Author