সময় কলকাতা ডেস্ক:- দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল কার্যত ভয় ধরিয়ে দিয়েছে ইন্ডিয়া ব্লগের ছোট দলগুলির মধ্যে। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আপ-এর লজ্জাজনক হারের পর কার্যত ঐক্যের কড়া বার্তা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। স্পষ্ট ভাষায় মমতা জানিয়ে দিলেন, বিজেপিকে রুখতে গেলে এক হতে হবে ‘ইন্ডিয়া’কে। তা না হলে এর পরিণতি দিল্লি বা হরিয়ানার মতোই হবে। উল্লেখ্য, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে কেজরিওয়ালের পরামর্শদাতা ছিলেন মমতাই।
জোটকে ঐক্যবদ্ধ রাখার বার্তা
দিল্লি ভোটে হারের পর তৃণমূল নেত্রীর জোটকে ঐক্যবদ্ধ রাখার বার্তা, রাজনৈতিক মহলে জল্পনার সৃষ্টি করেছে।অথচ বিগত দিনে রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তৃণমূল এবং আপ প্রার্থী দিয়ে কার্যত কংগ্রেসকে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে দুর্বল করেছে। গোয়া, হরিয়ানার পর দিল্লি নির্বাচনে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একটানা প্রচার চালিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর জোটে ঐক্যের বার্তা দিলে সেটা কতটা কার্যকর হবে তার সময় বলবে।
আগামী বছর মাঝামাঝি সময়ে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে এই রাজ্যে। বাংলায় বিজেপিকে রুখতে তৃণমূল সেক্ষেত্রে জোটের পথে হাঁটবে কিনা এখন সেই দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। সাম্প্রতিক সময়ে প্রদেশ কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএম তথা বামেদের কিছুটা হলেও দূরত্ব বেড়েছে। সেক্ষেত্রে ফের একবার কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এ রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনে লড়াই করে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। যদিও কংগ্রেসের তরফে এখনই এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করা হয়নি।
তবে প্রথম সারির প্রদেশ কংগ্রেসের এক নেতা মমতার এই বার্তায় সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর সরাসরি বক্তব্য যে “তৃণমূল কংগ্রেস নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত। বিজেপিকে ঠেকাতে এগার সালের পর কংগ্রেসের হাত ফের একবার ধরলেও সেই হাত পূর্ণ সময় পর্যন্ত মমতা ধরে রাখবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।” তাই দিল্লি নির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা কি ছিল এবং আগামী দিনে বাংলার ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা কি হতে পারে সেই সমস্ত দিক বিচার করেই হাইকমান্ড প্রদেশ কংগ্রেসের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেই জানিয়েছেন তিনি। কংগ্রেস কে লাগাতার ক্ষতি করে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইন্ডিয়া জোট। সময় যত পেরিয়েছে গান্ধী পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে মমতার। এই পরিস্থিতিতে জোটবার্তা দিলেও মমতা কতটা বিশ্বাসযোগ্য তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে।


More Stories
চাকরি পাওয়া নিয়ে দীপাঞ্জনকে পাল্টা জবাব দিলেন মীনাক্ষী
ঋতব্রতদের সম্পর্কে কুণাল ঘোষের বক্তব্য কেন তাৎপর্যপূর্ণ?
বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার অসিত মজুমদার