সময় কলকাতা ডেস্ক:- এক বছরে ১৩৩ কোটি টাকা আয়! নতুন রেকর্ড গড়ল মুম্বইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দির। আগামী অর্থবর্ষে এই আয়ের অঙ্কটা দেড়শো কোটিও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। মন্দিরের বিপুল আর্থিক লাভের নেপথ্যে রয়েছে কর্তৃপক্ষে সুপরিচালনা, এমনটাই মনে করছেন সিদ্ধিবিনায়কের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ অফিসার সন্দীপ রাঠোর।
রাঠোর জানিয়েছেন, দান পেটি, পুজোর খরচ, লাড্ডু-নারকেলের প্রসার, অনলাইন প্রণামী, সোনা-রুপোর দান-সমস্ত কিছুর মূল্য ধরেই আয়ের এই পরিমাণ। তবে এই অর্থ পুরোটাই ব্যবহার হয় সমাজকল্যাণের কাজে। খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে সোনা-রুপো, সবকিছুর দাম বাড়লেও মন্দিরের আয় কমেনি বলে জানান তিনি।
সন্দীপ রাঠোর আরও জানিয়েছেন, “সুষ্ঠুভাবে মন্দির পরিচালনার জন্যই এত বেশি পুণ্যার্থী এসেছেন এবং আশার অতিরিক্ত দান দিয়েছেন। আমরা বুঝেছি, যদি দর্শনার্থীদের সুন্দরভাবে দর্শনের সুযোগ দেওয়া যায়, তাহলে মন্দিরে আরও বেশি সংখ্যায় পুণ্যার্থীরা আসবেন। তাতে দানের পরিমাণ বাড়বে।” সন্দীপের মতে, সিদ্ধিবিনায়কে প্রত্যেক দর্শনার্থীকে অন্তত ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড দর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু অন্যান্য বড় মন্দিরে সেই সময়টা ৫ থেকে ৭ সেকেন্ড।
৩১ মার্চ শেষ হয়েছে অর্থবর্ষ। ২০২৪-২৫ সালের হিসাবে দেখা গেছে, নানা খাতে এই বিখ্যাত মন্দিরের আয় হয়েছে ১৩৩ কোটি টাকা। যদিও বছরের শুরুতে অনুমান করা হয়েছিল, আয়ের পরিমাণ ১১৪ কোটি হতে পারে। কিন্তু প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দান দিয়েছেন পুণ্যার্থীরা। বছরশেষের হিসাব বলছে, ১৩৩ কোটি টাকা জমা পড়েছে মন্দিরের কোষাগারে। প্রাথমিক অনুমানের থেকে অন্তত ১৫ শতাংশ বেশি। তাই মন্দির কর্তৃপক্ষের অনুমান, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে আয়ের পরিমাণ ১৫০ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে।


More Stories
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!
প্রাকৃতিক বিপর্যয় : লাইফলাইন এনএইচ ৭১৭