সময় কলকাতা ডেস্ক:- গত বছর উত্তরাখণ্ডে এক যুবতীর বিরুদ্ধে নেশার টাকা জোগাড়ের জন্য ১৯ জন যুবকের সঙ্গে অসুরক্ষিত যৌনতা এবং তাঁদের রক্তে এইচআইভি সংক্রমণ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল। এ বার সেই উত্তরাখণ্ডেরই একটি সরকারি হাসপাতালে গত ১৫ মাসে ৪৭৭ জনের রক্তে এইচআইভি পজিটিভ মিলেছে। এই পরিসংখ্যান উদ্বেগ বাড়িয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের কপালে।
সুতরাং বলাবাহুল্য, এই পরিসংখ্যান অত্যন্ত উদ্বেগের। প্রতিদিন কমপক্ষে তিনজন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আসছেন। অনেকে সমাজের ভয়ে নিজেদের নাম রেজিস্ট্রারও করাতে চাইছেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে পুরুষরা মাদক নেওয়ার সময়ে যে সিরিঞ্জ ব্যবহার করছেন তা থেকে এই রোগ ছড়াচ্ছে।’ ড্রাগের নেশা থেকে যদি সাধারণ মানুষকে মুক্ত না করা যায় সে ক্ষেত্রে এই সংক্রমণে লাগাম টানা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন একাধিক বিশেষজ্ঞ। তাঁদের কথায়, ‘এই ক্ষেত্রে কাউন্সেলিং কোনও কাজে আসে না। মাদক কোথা থেকে আসছে, তা জানতে হবে এবং সেই পথ বন্ধ করতে হবে।’
হাসপাতালের অ্যান্টি-রেট্রোভাইরাল থেরাপি(এআরটি)-র নোডাল অফিসার বৈভব কুমার জানান, এইচআইভি আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই পুরুষ। তবে আটজন শিশুও রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মায়ের থেকে তাদের শরীরে এই রোগ সংক্রমিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরাখণ্ডের হলদওয়ানির ডক্টর সুশীলা তিওয়ারি সরকারি হাসপাতালে। বুধবার এই হাসপাতালের এক আধিকারিক ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-কে বলেন, ‘২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ৪৭৭টি এইচআইভি পজিটিভ কেস ধরা পড়েছে।’


More Stories
আতস কাচের তলায় :গেলেন ধর্মেন্দ্র, এলেন প্রহ্লাদ
ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের দুটি দাবি মেনে নিল কেন্দ্রীয় সরকার