Home » জেরুজালেমে ভয়াবহ দাবানল, ইসরায়েলের ইতিহাসে প্রথম

জেরুজালেমে ভয়াবহ দাবানল, ইসরায়েলের ইতিহাসে প্রথম

সময় কলকাতা ডেস্ক:- বুধবার ইসরাইলের জেরুজালেম শহরের সীমানায় শুরু হয় বিধ্বংসী দাবানল, যা ইসরায়েলের ইতিহাসে প্রথম। ফলত, জেরুজালেমের কর্মকর্তারা ওই এলাকার স্থানীয় মানুষদের অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হন। দাবানলের কারণে জেরুজালেমে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানসহ বেশ কয়েকটি পরিকল্পিত অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুসারে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন যে আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা করার জন্য ইতালি এবং ক্রোয়েশিয়া তিনটি অগ্নিনির্বাপক বিমান পাঠাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ইসরায়েল, গ্রীস, সাইপ্রাস এবং বুলগেরিয়ার কাছ থেকেও সহায়তা চেয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, জেরুজালেম এবং তেল আবিবের মধ্যবর্তী প্রধান রুট ১ মহাসড়কে আগুন জ্বলছে, ঘন ধোঁয়ায় আশেপাশের পাহাড় ঢেকে যাওয়ার সাথে সাথে লোকজন তাদের গাড়ি ফেলে পালিয়ে যাচ্ছে।

টাইমস অফ ইসরায়েলের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের জেরুজালেম ডিস্ট্রিক্ট কমান্ডার শমুলিক ফ্রিডম্যান বলেছেন যে এই আগুন ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হতে পারে। তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলকর্মীদের এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি খুব বড় দাবানলের মধ্যে আছি, সম্ভবত এই দেশে এটি কখনও দেখা যায়নি, এই বিধ্বংসী আগুন নেভানোর কাজ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে চলবে। আমরা আগুনের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারিনি।”

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানা গেছে যে, ১২০ টি অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকারী দল, বিমান ও হেলিকপ্টার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। দেশের সেনাবাহিনীও সাহায্যের জন্য অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে। স্থানীয় পুলিশের মতে, দাবানলের স্থান থেকে তিনটি সম্প্রদায়কে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর কোনও খবর নেই।

বুধবার ইসরায়েলের শহীদ সৈন্যদের স্মরণ দিবসে সূত্রপাত ঘটে এই দাবানলের এবং জেরুজালেমে পরিকল্পিত মূল অনুষ্ঠান সহ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়।

 

About Post Author