সময় কলকাতা ডেস্ক:- সর্বভারতীয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলো সোমবার। আইআইটি কানপুর ছিল ২০২৫ সালের জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষার দায়িত্বে। এই সর্বভারতীয় পরীক্ষাতেও বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার মেয়ে দেবদত্তা মাঝি। গোটা দেশে মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে আইআইটি খড়্গপুর জ়োনেরও টপার তিনি। তাঁর সর্বভারতীয় র্যাঙ্ক (সিআরএল) ১৬। গোটা দেশে প্রথম হয়েছেন রাজিত গুপ্তা। দিল্লি আইআইটি জোন থেকে পরীক্ষায় বসেছিলেন তিনি।
সর্বভারতীয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেন পরীক্ষায় পাশ করলে জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় বসার সুযোগ মেলে। এই পরীক্ষায় পাশ করলে তবেই দেশের বিভিন্ন আইআইটি এবং আইআইএসসি-তে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ আসে পড়ুয়াদের সামনে। ২০২৫ সালে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ৪২২ জন বসেছিলেন আইআইটি অ্যাডভান্সড পরীক্ষায়। এর মধ্যে পাশ করেছেন ৫৪ হাজার ৩৭৮ জন। ৯ হাজার ৪০৪ জন ছাত্রী এ বছর সফল হয়েছেন এই পরীক্ষায়। তাঁদের মধ্যেই প্রথম হয়েছেন দেবদত্তা।
কাটোয়া দুর্গাদাসী চৌধুরানী গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী ছিলেন দেবদত্তা। সেই স্কুলেই শিক্ষকতা করেন তাঁর মা শেলি দাঁ। মেয়ের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শেলি দাঁ বলেছেন, ‘দেবদত্তার লক্ষ্যই ছিল জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় প্রথম ১০০-র মধ্যে র্যাঙ্ক করা। যাতে আইআইএসসি বেঙ্গালুরুতে বিটেক পড়ার সুযোগ পায়। ও গোটা দেশে মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছে। এই রেজাল্টে আমরা খুবই খুশি।’ ম্যাথেম্যাটিক্স দেবদত্তার খুবই পছন্দের বিষয়। ম্যাথ ও কম্পিউটিংয়ের উপর কোনও বিষয় নিয়ে দেবদত্তার বিটেক পড়ার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর মা।
মাধ্যমিকের সময় থেকেই ধারাবাহিক সাফল্য পাচ্ছেন দেবদত্তা মাঝি। ২০২৩ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় গোটা রাজ্যে প্রথম হয়েছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যে ষষ্ঠ স্থানাধিকারী ছিলেন তিনি। জেইই মেন পরীক্ষাতেও গোটা দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছিলেন। পেয়েছিলেন ১০০ পার্সেন্টাইল মার্কস। এ বার জেইই অ্যাডভান্সড-এ গোটা দেশের মধ্যে ১৬ তম স্থান অধিকার করেছেন এবং মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন।


More Stories
মাটির বুকে স্বর্গ, সাজুর ‘হেভেন’ বাঁচিয়ে রাখার প্রতিশ্রুতি পুলিশ প্রশাসনের
বিচ্যুতি থাকবেই, ফুলপ্রুফ সিস্টেম বলে কিছু হয়না : শমীক ভট্টাচার্য
শুভেন্দু -এনসিপিআই বৈঠক, তাৎপর্য কী?