সময় কলকাতা ডেস্ক:- ১৫ বছরের বেশি পুরোনো বাস চলাচলের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও সুরাহা হাইকোর্ট থেকে পাননি বাস-মালিকরা। হাইকোর্ট ছাড়পত্র দিয়েছে বলে যা রটেছে, তা ভুল বলেই জানাল বাস-মালিকদের সংগঠন। তবে তারা জানিয়েছে, ৯ জুন পরিবহণ দপ্তরের সঙ্গে বাস-মালিকদের সংগঠনের বৈঠক হয়েছে।
তার ভিত্তিতে একটি যৌথ ‘সমঝোতাপত্র’ তৈরি হয়েছে। তা হাইকোর্টে জমা পড়বে। কোর্ট তা অনুমোদন করলে তবেই সুরাহা মিলতে পারে বলে জানিয়েছে বাস–মালিকদের সংগঠন।
সমঝোতাপত্রের মূল বিষয় হলো, পরিবহণ দপ্তর আগের নির্দেশ কিছুটা বদলাবে। সে ক্ষেত্রে ১৫ বছরের বেশি বয়সের বাসগুলিকে বছরে দু’বার ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে। যদি বাসগুলির কার্বন নির্গমণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে তা হলে পরিবহণ বিভাগ ১৫ বছরের বেশি পুরোনো বাসগুলিকে চলাচলের অনুমতি দেবে। রাহুল জানিয়েছেন, এই সমঝোতাপত্র ১৭ জুনের শুনানিতে রাজ্যের তরফে জমা দেওয়া হবে হাইকোর্টে। কোর্ট যদি অনুমোদন করে, তা হলে সমস্যা মিটবে।
২০২০-’২১ সালে কোভিড মহামারীর সময়ে দু’বছর ধরে বাস চলাচল না করার যে যুক্তি বাস–মালিকরা দিয়েছেন, পরিবহণ কর্তৃপক্ষ কেস-টু-কেস ভিত্তিতে বিষয়টি বিবেচনা করে ওই সব বাসকে রাস্তায় নামার ছাড়পত্র দেবেন।
সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানান, বৈঠকে যে সমঝোতাপত্র তৈরি হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে—২০১২ এবং ২০১৮ সালের নির্দেশ আংশিক পরিবর্তন করবে পরিবহণ দপ্তর।
যাতে এ বছর অন্তত ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সের বাসগুলিকে শর্তসাপেক্ষে চলতে দেওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে ওই বাসগুলিকে বছরে দু’বার (ছ’মাস অন্তর) ফিটনেস সার্টিফিকেট এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে থাকার সার্টিফিকেট নিতে হবে।
দূষণ ঠেকাতে বাসের মেয়াদ আগেই নির্ধারণ করে দিয়েছিল ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। তা মেনে কলকাতা-সহ দেশের একাধিক হাইকোর্ট অনেক আগেই বেসরকারি বাণিজ্যিক গাড়ির আয়ু পনেরো বছরে বেঁধে দিয়েছে।
সেই প্রেক্ষিতে পনেরো বছরের পুরোনো বাস চলাচল নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেয় রাজ্য। রাজ্যের ওই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে বাস–মালিকদের সংগঠন। হাইকোর্ট রাজ্যকে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিল। জট খুলতে বাস-মালিকদের সংগঠনের সঙ্গে ৯ জুন বৈঠক করেন পরিবহণসচিব।


More Stories
২৮ বছর পরে কংগ্রেসে কি ফিরবেন মমতা?
জেলে জায়গা হবে তো? কৃষ্ণ ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের মাফিয়া নন্দন গ্রেফতার
কালীঘাটে মমতার বাড়ির দোরগোড়ায় সিআইডি