দুর্যোগের পর এক সপ্তাহের মধ্যে দু-দুবার উত্তরবঙ্গে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগের বার আলিপুরদুয়ার জেলার হাসিমারা বায়ুসেনা ছাউনিতে নেমে সোজা চলে গিয়েছিলেন জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটায়। সেখান থেকে মিরিক ও পাহাড়ের বিভিন্ন বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। রবিবার দুপুরে ফের হাসিমারায় নেমে সোজা চলে যান নীলপাড়া রেঞ্জ অফিসে। সেখানে জেলা প্রশাসনের সমস্ত বিভাগের সঙ্গে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি ও অন্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর পর সেখান থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান সুভাষিণী চা-বাগানের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায়। সেখানে তোর্সার জলে ভেঙে যাওয়া বাঁধ পরিদর্শন করেন। চা-শ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেন। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের হাতে খাবার, শাড়ি, কম্বল-সহ নানান ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
উত্তরবঙ্গের বিপর্যয়ের পরে সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে বুধবারই কলকাতায় ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন দিন পর, রবিবার আবার তিনি উত্তরবঙ্গে যান। মমতা জানান, রাজ্য সরকারের যা সামর্থ্য, তা দিয়েই মানুষকে যতটা সম্ভব সাহায্য করা হচ্ছে। এখানকার বিপর্যয় মোকাবিলায় আগেই নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রচুর রাস্তা, সেতু ভেঙে গিয়েছে। সেইসব সারানোর কাজ চলছে। যত দ্রুত সম্ভব, আবার সব ঠিক করে দেওয়া হবে। তবে হলংয়ের ভেঙে পড়া ব্রিজ মেরামতিতে ৭,৮ দিন সময় লাগবে। তবে পাঙ্খাবাড়ি দিয়ে দার্জিলিং যাওয়া যাচ্ছে। দুর্যোগকবলিত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তাতে মানুষের অসুবিধা হবে না। রোহিণী এলাকাতে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
উত্তরবঙ্গ বিপর্যয়ের একেবারে গোড়া থেকে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী এলাকায় গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দুঃসময়ে উত্তরবঙ্গবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে তাঁর এই ভূমিকা একেবারে অভিভাবকের মতোই।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী