সময় কলকাতা ডেস্ক : পরকীয়া-সম্পর্কের মর্মান্তিক পরিণতি।পরকীয়- সম্পর্কের উন্মাদনায় মেতে উঠেও নতুন সংসার পেতে বাঁচা অথবা বিচ্ছেদ সইতে পারা কোনও পথ বাছতে পারে নি অসমবয়সী প্রেমিক যুগল।বরং কোনও সিদ্ধান্ত না নিতে পেরে পরকীয়া-সম্পর্কের জেরে পরিস্থিতির চাপে আত্মহত্যার চূড়ান্ত পথ বাছল প্রতিবেশী গৃহবধূ ও অবিবাহিত তরুণ।
প্রতিবেশী এক বৌদির সঙ্গে অবিবাহিত দেওরের গড়ে উঠেছিল প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু সেই পরকীয়া-সম্পর্কের কথা জানাজানি হতেই গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল প্রেমিক যুগল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তি থানার একতারা এলাকার এই ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার সকালে দুই বাড়ি থেকে ঝুলন্ত মৃত দেহগুলি উদ্ধার করে পুলিশ । আত্মঘাতী যুগল বাসনা পুরকাইত (৩৪) ও মানস সাউ(২৯) -এর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, উস্তি থানার একতারা গ্রামে বিয়ে হয়ে আসা বাসনা স্বামীর দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী।প্রথম পক্ষের স্ত্রীর একটি সন্তানও রয়েছে।বাসনার স্বামী তার প্রথম পক্ষের ছেলে কে নিয়ে বাইরে থাকতেন।কাজের সুবাদেই তাঁরা বাইরে থাকতেন।উস্তি থানার পুলিশ প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে,একাকী বাসনা বাড়িতে একাকিত্বে ভুগতেন।সেই সুযোগে প্রতিবেশী যুবক মানস সাউয়ের সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে।মানস সাউ ছিল সম্পর্কে বাসনার দেওর।বাসনা পুরকাইতের থেকে বয়সে বছর পাঁচেকের ছোটো মানসের সেই সখ্যতা ক্রমশ রুপ পায় ভালবাসায়।মানস একতারা গ্রামের রায়পাড়ায় পিসির বাড়িতে থাকত। বৌদি দেওর এক অবিচ্ছেদ্য প্রেমের বন্ধনে জড়ালেও পরিণতি হয় করুণ।
বাসনা ও মানসের পরকীয়াতে ছেদ পড়ে শনিবার রাতে। শনিবার রাতে বাসনার সৎ ছেলে বাড়িতে এসে ছিল।হঠাৎ তাঁর বাড়ি আসার কথা বাসনা জানত না।ছেলে বাড়িতে আসার আগেই প্রেমিক মানস চলে আসে বাসনার ঘরে।আবেগঘন মুহূর্তে বাসনা ও মানসকে হাতেনাতে ধরে ফেলে সৎপুত্র । ঐ রাতেই মানস ফিরে যায় নিজের বাড়িতে। পরের দিন দেখা যায় দু জনেই যে যার বাড়িতে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে । বিচ্ছেদ বা মিলন কোনও পথকে সঠিকভাবে বাছতে না পেরে দুজনেই বেছে নেয় মৃত্যুর পথকে।।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী