Home » বীরভুমে নিহত স্বাস্থ্য কর্মীর বাড়িতে পারলৌকিক ক্রিয়া কর্মের মাঝেই বিজেপির ছয় বিধায়ক, কেন?

বীরভুমে নিহত স্বাস্থ্য কর্মীর বাড়িতে পারলৌকিক ক্রিয়া কর্মের মাঝেই বিজেপির ছয় বিধায়ক, কেন?

জয়ন্ত দাস, সময় কলকাতাঃ বাতিকার প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিহত স্বাস্থ্য কর্মীর ইলামবাজারে বাড়িতে আজ পারলৌকিক ক্রিয়া কর্ম চলছিল ।তারই মাঝে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হাজির হন  বিজেপির ছয় বিধায়ক। বুধবার সন্ধ্যা বেলায় বীরভুমের পারুই থানার অন্তর্গত বাতিকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এক স্বাস্থ্যকর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিস। মৃতা ওই স্বাস্থ্যকর্মীর নাম শ্রাবণী মণ্ডল। তাঁর বয়স 22 বছর।ইলামবাজার থানার ক্ষুদ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা শ্রাবণী বাতিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ছিলেন৷হাসপাতালের অফিস ঘরে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয় তাঁর৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে গলায় ওড়না জাতীয় কোন কিছুর ফাঁস ছিল।মুখে ও শরীরে আঘাতে চিহ্ন ছিল। যদিও এই মৃত্যুর কারণ এখনও পরিস্কার নয়। তদন্তে নেমে পুলিস এক জনকে আটক করছে মাত্র।মেয়ের পারলৌকিক কাজের মাঝেই নিহত স্বাস্থ্য কর্মীর মা ও ভাই এর সঙ্গে কথা বলেন বিজেপির বিধায়ক প্রতিনিধি দলটি।ওই প্রতিনিধি দলের সদস্য বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরি বলেন রাজ্যের একটি সরকারি হাসপাতালে মহিলা স্বাস্থ্য কর্মীকে খুন করা হল।নিজের কর্মক্ষেত্রেও নিরাপদ থাকছে না রাজ্যে মহিলারা।

ইংরেজ বাজারের বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরির  অভিযোগ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনিই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীও,আর তার শাসনেই মহিলা স্বাস্থ্য কর্মী খুন হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে ।এই ঘটনা প্রমান করে রাজ্যে কোন আইনের শাসন নেই।পুলিস এখনও পর্যন্ত কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি বলে দাবি করেন তিনি।শ্রীরূপা দেবী বলেন সরকারি হাসপাতালে নিহত স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য আজই তাঁরা জেলার পুলিস ও প্রশাসনের পদস্থ কর্তাদের দারস্থ হবেন।ন্যায় বিচার এই রাজ্যে অধরা থেকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপির বিধায়ক প্রতিনিধি দলের সদস্য ও কল্যানীর বিধায়ক অম্বিকা রায়।তিনি বলেন বগটুই তে নারকীয় হত্যার পর পরই পারুই থানার বাতিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মধ্যে খুন হতে হল মহিলা স্বাস্থ্য কর্মীকে ।এই সব ঘটনা প্রমান করে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা বলে কিছুই অবশিষ্ট নেই।

নিহতের ভাই গোপাল মন্ডল বলেন তাঁর দিদি সরকারি দপ্তরে নিজের কম্পিউটারে কাজ করছিলেন।সাধারণত বিকেল পর্যন্ত তাঁর দিদি অফিসে কাজ করে।ঐ দিনও তার অন্তরায় হয়নি।তাঁর প্রশ্ন সরকারি জায়াগায় তাঁর দিদি কে খুন করা হয়েছে।তিনি দোষীদের সর্বোচ্চ সাজা চান।একই সঙ্গে নিহত সরকারি স্বাস্থ্য কর্মীর মায়ের প্রশ্ন তাঁর মেয়েকে যারা খুন করেছে তাদের কেন পুলিস এখনও গ্রেপ্তার করছে না।

About Post Author