Home » তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে তৃণমূলকর্মী খুন,শুরু রাজনৈতিক তরজা

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে তৃণমূলকর্মী খুন,শুরু রাজনৈতিক তরজা

সময় কলকাতা ডেস্কঃ ভোট গণতন্ত্রের উৎসব। কিন্ত সেই ভোটকে কেন্দ্র করেই যখন মানুষে মানুষে উত্তেজনা তখন আর তা উৎসব থাকেনা। আর এবার পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে মালদায় অপহরন করা হল এক তৃণমূল কর্মীকে। হরিশ্চন্দ্রপুরে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলে এক তৃণমূল কর্মীকে অপহরন করে খুনের অভিযোগ উঠল।

আর কয়েক মাস বাদেই পঞ্চায়েত ভোট। আর এরই মধ্যে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল আবার মাথাচাড়া দিল। অভিযোগ, সোমবার রাতে বাড়ির উঠোনে থেকেই তৃণমূলের এক সক্রিয় কর্মীকে মুখে কাপড় বেঁধে অপহরণ করা হয়। অভিযোগ এলাকারই অপর তৃণমূলের গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। অপহৃত ব্যক্তির স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অপহৃত পরিবারের লোকের দাবি খুন করা হয়েছে অপহরণ হওয়া আব্দুল বারিককে।

ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের কাতলামারি এলাকায়। জানা যাচ্ছে, এলাকায় বাশির ও উনসাহাক গোষ্ঠীর এলাকা দখলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। আর তার জন্যই বাশির ও তার দলবল উনসাহাকের ভাইপো আব্দুল বারিককে অপহরণ করায় বলে অভিযোগ। কয়েকমাস আগেই এই দুই গোষ্ঠীর গুলির লড়াইয়ে দুজন গুলিবিদ্ধও হন। এবার উনসাহাকের ভাইপো বারিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে বলে তার পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে। উনসাহাক আগে কংগ্রেস ও বাশির সিপিএম করলেও পালাবদলের পর দুই গোষ্ঠীই আপাতত শাসকদলের ছত্রছায়ায় রয়েছে বলে অভিযোগ। তবে বারিককে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে বলে বারিককের পরিবার দাবি করলেও তা পুলিশ মানতে চায়নি। কেন না এখনও বারিকের খোঁজ মেলেনি।

যদিও অপরদিকে কার্যত গোষ্ঠী কোন্দলের কথা স্বীকার করে নিয়েছে তৃণমূল ব্লক সভাপতি। অন্যায় করলে দল পাশে দাঁড়াবে না আইন আইনের পথে চলবে। পুলিশ পুলিশের কাজ করবে বলে সাফ জানালেন তৃণমূল ব্লক সভাপতি হজরত আলী। গোটা ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। অন্যদিকে পঞ্চায়েত ভোটের আগে এটা ট্রেলার চলছে, বলে কটাক্ষ জেলা বিজেপি নেতা কিষান কেডিয়ার। বারিকের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি করছে পুলিশ।

About Post Author