Home » উচ্চ মাধ্যমিকে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সাফল্য

উচ্চ মাধ্যমিকে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সাফল্য

সময় কলকাতা ডেস্ক: বরাবর যা হয়ে আসে তা এবার হয় নি। প্রতিবার উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশে দেখা যায় মেধা তালিকায় প্রথম কয়েকজনের মধ্যে উত্তর চব্বিশ পরগনার কেউ না কেউ থাকেই। এবার ও থেকেছে, তবে উত্তর চব্বিশ পরগনা থেকে কৃতি তালিকায় রাজ্যে প্রথম চারটি স্থানে কেউ নেই । তবুও সাফল্য যে আসে নি তাও নয়।তুলনামূলক কম সাফল্যের বছরে দেবাংকা, অরিত্র, যোজনগন্ধাদের মত ছাত্র ছাত্রীরা জেলার নাম উজ্জ্বল করেছে এবারও।

উচ্চমাধ্যমিকে পঞ্চম উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যে প্রথম কলা বিভাগে প্রথম দেবাঙ্কা সাহা ব্যারাকপুর বিবেকানন্দ মিশন বিদ্যামন্দিরের ছাত্রী সে ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করতে চায়।

এবারের উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় নাম উঠে এসেছে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের অরিত্র মাইতি। মাধ্যমিকের অরিত্র সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছিল আর এবার উচ্চমাধ্যমিকে ৪৯৫ নম্বর পেয়ে রাজ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে সে। তার এই কৃতিত্বের সভাপতি খুশি রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের সকলেই।

বরানগর তাঁতি পাড়া অঞ্চলের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী যোজনা গন্ধা দাস বরানগর রাজকুমারী মেমোরিয়াল স্কুলের ছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩। বাবা-মা শিক্ষকতা করেন।যোজনাগন্ধা দাস ভবিষ্যতে স্নাতকে ইতিহাসে অনার্স নিয়ে পড়ার ইচ্ছে আছে এবং পরবর্তী সময়ে গবেষণা করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে যোজনাগন্ধা দাস।

উচ্চমাধ্যমিকে ৪৯২ নম্বর পেয়ে রাজ্যে সপ্তম স্থান অধিকার করলেন মৌমিতা বিশ্বাস। আনন্দ আশ্রম সারদা বিদ্যাপীঠ এর ছাত্রী ও বরানগর আলম বাজারের বাসিন্দা মৌমিতা বিশ্বাস। মৌমিতার ইচ্ছে সে ভূগোলে অনার্স নিয়ে পড়ে পরবর্তীতে পিএইচডি করবে।

মেধা তালিকা ঘোষণার সময় অন্যবারের মত সর্বাগ্রে উত্তর চব্বিশ পরগনার নাম হয়তো উচ্চারিত হয় নি তবুও সবমিলিয়ে উত্তর চব্বিশ পরগনার ফল এবার উচ্চ মাধ্যমিকে মিশ্র।

About Post Author