সময় কলকাতা ডেস্ক : বলা হয়,ঈশ্বর, আল্লাহ বা গড – তাঁরাই মানুষকে প্রাণদান করে বাঁচান। মানুষ তাঁদের দেখতে পায় না। মানুষ দেখতে পায় চিকিৎসকদের। তাঁরাই প্রাণদান করেন। তাঁরাই ঈশ্বর, আল্লাহ বা গড হয়ে দেখা দেন। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে থাকা মূমুর্ষু মানুষকে বিরল শল্য চিকিৎসায় প্রাণ ফেরান চিকিৎসকই।

বারাসাতে এরকম এক ঘটনায় কোনও মহিলার মাথা যখন এফোঁড়-ওফোঁড় করে দেয় লোহার রড, স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুর সঙ্গে তাঁর ব্যবধান থাকে কয়েক সুতোর ।তাকে যখন নিয়ে যাওয়া হয় বারাসাত হাসপাতালে,তখন কালক্ষেপ করেন না চিকিৎসকরা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের তাঁদের যাবতীয় অভিজ্ঞতা, জ্ঞান আর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তাঁরা নিজেদের অজান্তে দেবত্বে উন্নীত করেন নিজেদের।
আবার নজির গড়ল বারাসাত হাসপাতাল। সোমবার বারাসাত অঞ্জলি জুয়েলার্সের সামনে শুক্লা চট্টোপাধ্যায় নামের এক মহিলা ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার শিকার হন। শেওড়াফুলি থেকে তিনি বারাসাতে এসেছিলেন। মাথা ঘুরে গ্রিলে পড়ে ঘটে বিপর্যয়।তার মাথার মধ্যে তিনটি লোহার রড ঢুকে যায়। এরপরই বারাসাত হাসপাতাল ও দমকলের যৌথ প্রচেষ্টায় সেই মাথার রড কেটে বার করা হয়। এরপরই তাকে তড়িঘড়ি বারাসাত হাসপাতালে নিয়ে আসেন পুলিশ আধিকারিকরা। চিকিৎসক কঙ্কন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে মেডিক্যাল টিম দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার শল্য চিকিৎসায় প্রাণ ফিরে পেলেন ওই মহিলা। এই প্রথম বারাসাত হাসপাতালে এরকম বড়মাপের বিরল অপারেশন হ’ল। এ নিয়ে যারপরনাই খুশি পরিবারের লোকজন। বারাসাত হাসপাতালের সুপার সুব্রত মন্ডল মনে করছেন তাঁরা তাঁদের কর্তব্য করেছেন মাত্র।।


More Stories
সাত-বউ, পাঁচটি রাজপ্রাসাদ শ্রীরামপুরের কাউন্সিলর টাইগারের!
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন