সময় কলকাতা ডেস্কঃ তিস্তা ভেঙে জমি চলে গিয়েছে। অন্য পাড়ে নদী গড়েছে নিজেকে। সেই চড়ে চাষ আবাদ করে জীবন যাপন। বাধ সেঁধেছে সরকার। নিবিড় বনসৃজনের প্রকল্প হাতে নেওয়াতে কৃষি থেকে বঞ্চিত হতে হবে মানুষকে। এই আশঙ্কাতেই পাট্টার দাবি জলপাইগুড়ির টটগাঁওতে।
স্থানীয়দের দাবি , ১৯৬৮ সালের বন্যার পরে তিস্তা নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করে। নদীর পূর্ব প্রান্তের প্রায় ১২০০ হেক্টর জমি বেরিয়ে আসে নদীচর হিসেবে। এলাকার বাসিন্দারা প্রথমে ঐ জমির মধ্যে চাষের কিছু অংশে ধান ও আবাদী ফসল উৎপাদন শুরু করে। আর ধীরে ধীরে এই চাষটাই এলাকাবাসীর জীবন যাপনের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। শুরু হয় বাড়িঘর তৈরি । এভাবেই কেটে যায় দীর্ঘ ৫৪টি বছর। কিন্তু বসবাসের এই জমির আজ পর্যন্ত কোনো পাট্টা মেলেনি। তার মাঝেই ভাঙতে থাকে নদীর পাড়। প্রতিদিনই একটু একটু করে এগিয়ে আসছে তিস্তা। গিলে নিচ্ছে বাঁশ বাগান থেকে ক্ষেতের জমি। অন্যপাড়ে তিস্তার গড়ে তোলা জমিতে চাষ আবাদের বদলে সরকার চায় নিবিড় বনাঞ্চল।আর তাই নাজেহাল সাধারণ মানুষ।

মানুষের সমস্যার কথা শুনে এলাকায় যান দার্জিলিং এর সাংসদ রাজু বিস্ত ও জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়। বিজেপির দুই সাংসদ দুষছেন রাজ্য সরকারকেই। তবে এই সমস্যার সমাধান কিভাবে হবে সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী