সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৪ নভেম্বরঃ শিক্ষামুলক ভ্রমণে গিয়ে ওড়িশার কেওনঝড়ের পুন্ডুল জলপ্রপাত থেকে একেবারে ২০ ফুট নীচে পড়ে গেলেন দুই ছাত্র। এক ছাত্র সামান্য চোট পেলেও নিখোঁজ অপর স্নাতকোত্তরের এক ছাত্র। নিখোঁজ ছাত্র তারাশঙ্কর সরকারের খোঁজে ইতিমধ্যেই নামানো হয়েছে ডুবুরি। ওই ছাত্র হুগলির আরামবাগের বাসিন্দা। কলকাতার আশুতোষ কলেজের এনভারনমেন্টাল সায়েন্সের এমএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
আরও পড়ুন আর ফুটবল আঙিনায় দেখা যাবে না মারিয়া ম্যাজিক, ফুটবলকে বিদায় জানালেন মেসির সতীর্থ

জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার আশুতোষ কলেজের এমএসসি দ্বিতীয় বর্ষের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়ারা শিক্ষামূলক ভ্রমণের জন্য ওড়িশার কেওনঝড়ে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরেই তাঁদের ফেরার কথা ছিল। তার আগেই ফেরার পথে ওড়িশার কেওনঝড়ে পুন্ডুল জলপ্রপাতে গিয়েছিলেন তাঁরা। প্রায় ২০ ফুটের খাদ ছিল। সেখানেই ঘটে যায় বিপত্তি। জলপ্রপাতে নামার সময় সেলফি তুলতে গিয়ে আচমকা দুই ছাত্র পড়ে যান। এক ছাত্রকে উদ্ধার করা গিয়েছে। মাথা ফেটে গিয়েছে তাঁর। কিন্তু তারাশংকর সরকারকে আড় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। খবর পাওয়া মাত্রই উদ্ধারকাজে লেগে পড়েন প্রশাসন।
ইতিমধ্যেই ওড়িশা পুলিশের তরফে উদ্ধারকারী দল ও ডুবুরি নামানো হয়েছে। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চললেও এখনও পর্যন্ত ওই ছাত্রের খোঁজ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, এই ঘটনার খবর পেয়েই আরামবাগ থেকে তারাশঙ্করের এক দাদা ও দুই কাকা হাজির হন ওড়িশায়। তাঁদের এই ঘটনা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। পরিবারের দাবি, এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে। কেননা যে ছাত্রটি আগে পড়ে গেলেন, তাঁর কিছু হল না। কিন্তু পরে তারাশঙ্কর পড়েই নিখোঁজ হয়ে গেলেন কীভাবে? ইতিমধ্যেই সেই প্রশ্নই তুলছে পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, কলেজের পক্ষ থেকে কোনও সহযোগিতা করা হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে আশুতোষ কলেজের অধ্যক্ষ মানস কবি বলেন, ‘খবর পাওয়া মাত্রই কলেজের তরফে ওডিশার স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁরা সবরকম সাহায্য করছেন। আমরা আরও তিনজন অধ্যাপককে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি।’


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি