সময় কলকাতা ডেস্ক, ৫ ডিসেম্বরঃ প্রয়াত বামফ্রন্ট সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী কমরেড নারায়ণ বিশ্বাস। তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা কমিটির সম্পাদক ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। বর্ষীয়ান নেতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার সহ দলের সহকর্মীরা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী সমর্থক ও পদস্থ নেতৃত্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাক্তন মন্ত্রীর প্রতি শোকবার্তা জানিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরেই তিনি লিভারের অসুখে ভুগছিলেন। এরপর লিভারজনিত সমস্যা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সিপিএম ক্ষমতায় থাকাকালীন দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বামেদের ভিত শক্ত করতে কমরেড নারায়ণ বিশ্বাসের যথেষ্ট ভুমিকা ছিল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকাকালীন দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন নারায়ণ বিশ্বাস। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ৬.৩০ মিনিট নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন নারায়ণ বিশ্বাস। দীর্ঘদিন ধরেই এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। বুধবার সকালে চিকিৎসারত অবস্থায় সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ তার মরদেহ মুজাফফর আহমদ ভবনে আনা হয় শ্রদ্ধা জানানোর জন্য। এরপর সিপিএমের জেলা দফতর ও গঙ্গারামপুরের দলীয় কার্যালয় হয়ে সকাল ১১টায় মালদহ মেডিক্যাল কলেজে প্রাক্তন মন্ত্রীর দেহ দান করা হয়। নারায়ন বিশ্বাসের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর অঙ্গদান করা হয় মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। পাশাপাশি এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর চক্ষু দান করা হয়। প্রসঙ্গত, কৃষক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে সিপিএমের দলীয় সদস্যপদ পেয়েছিলেন নারায়ণ বিশ্বাস। ১৯৯৩-১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সভাধিপতি ছিলেন। এরপর ২০০১-২০১১ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সহ গঙ্গারামপুরের লড়াকু নেতা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন নারায়ণ বিশ্বাস। তার মৃত্যুতে একটি যুগের অবসান হল বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদরা।


More Stories
জেলে জায়গা হবে তো? কৃষ্ণ ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের মাফিয়া নন্দন গ্রেফতার
সাত-বউ, পাঁচটি রাজপ্রাসাদ শ্রীরামপুরের কাউন্সিলর টাইগারের!
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?