সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ ডিসেম্বর: বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামী প্রতাপচন্দ্র দে-কে তলব করেছে সিআইডি। এবার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া অভিযোগ তুলে চিঠি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামী প্রতাপচন্দ্র দে-র। একইসঙ্গে সিআইডির বিরুদ্ধে মানসিক নিগ্রহের অভিযোগও তুলেছে বিচারপতি সিনহার স্বামী। ইতিমধ্যেই এই অভিযোগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন তিনি।
আরও পড়ুন শীতের পথে বাধা পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, কলকাতা সহ একাধিক জেলায় ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ
যদিও এবিষয়ে তিনি আগেই কলকাতা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অ্যাসোসিয়েশনকেও চিঠি দিয়েছিলেন। এদিকে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামী ২২ ডিসেম্বর তাঁকে ভবানী ভবনে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকী তাঁর ফোনও জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই খবর। এর আগে গত শনিবার বেলা ১১টায় ভবানী ভবনে হাজিরা দেন তিনি। ওইদিন ভবানী ভবনে দীর্ঘ ন’ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এবার ফের তলব করা হল। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ষাটোর্ধ্ব এক বিধবা এবং তাঁর মেয়ে অভিযোগ করেন, আইনত পৈতৃক সম্পত্তি পেলেও তাঁর দাদার পরিবার তা থেকে তাঁকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে।
তাঁর আরও অভিযোগ, মারধরও করা হয় তাঁকে। যার প্রমাণ রয়েছে সিসিটিভি ফুটেজে। তিনি আত্মীয়দের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন। তাঁর আত্মীয়দের হয়ে মামলা লড়ছিলেন বিচারপতির স্বামী। বৃদ্ধার দাবি, স্ত্রীর পদমর্যাদা কাজে লাগিয়ে তদন্তে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন আইনজীবী। বৃদ্ধার আরও অভিযোগ, বিচারপতির দফতরে ডেকে পাঠানো হয় তদন্তকারীকে। তাঁকে রীতিমতো ধমক দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ বৃদ্ধার। এই অভিযোগের তদন্ত এবং নিজের পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে ওই বৃদ্ধা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। জানা গিয়েছে, অভিযোগকারিণী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হন। সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। পরে অবশ্য এই মামলায় বাড়তি পদক্ষেপ করা যাবে না বলেই জানায় সুপ্রিম কোর্ট। ডিসেম্বরের শুরুতে আদালত জানিয়ে দেয়, অভিযোগের নিষ্পত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা যাবে। এর পরই পদক্ষেপ নেয় সিআইডি।


More Stories
আই-প্যাকের ডিরেক্টর ভিনেশ চান্দেলকে গ্রেফতার করল ইডি
যুদ্ধ : মুখ্যমন্ত্রীর সবুজ ফাইলের রহস্য ও ইডি-র ‘ডেটা ট্রান্সফার’!
আইপ্যাকে ইডির হানাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসা বলে আখ্যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের