সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ এপ্রিলঃ দেশজুড়ে শুরু লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। প্রথম দফায় ভোট হচ্ছে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। এদিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত কোচবিহার। মাথাভাঙা, দিনহাটা, ভেটাগুড়ি থেকে এসেছে ভুরিভুরি অশান্তির খবর। কোচবিহার থেকে এখনও পর্যন্ত কমিশনের দফতরে জমা পড়েছে ১৭২টি অভিযোগ। আলিপুরদুয়ারে ১৩৫টি অভিযোগ। জলপাইগুড়িতে ৭৬টি অভিযোগ। মোট ৩৮৩টি অভিযোগ এখনও পর্যন্ত কমিশনে জমা পড়েছে। কোথাও বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, বিজেপির পোলিং এজেন্টকে ঢুকতে বাধা, অপহরণেরও অভিযোগ এসেছে। সব থেকে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে কোচবিহার থেকে। এবার এই অশান্তির ঘটনায় তথ্য চাইল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন Lok Sabha Election 2024: ভোটের শুরুতেই উত্তপ্ত কোচবিহার, পিসরুম থেকে নজরদারি রাজ্যপালের
সূত্রের খবর, কমিশনের দিল্লির অফিস থেকে এ ব্যাপারে রাজ্য এবং জেলা নির্বাচনী দফতরের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। তবে, বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটলেও এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত তিন জেলায় ভোটের হার ৩৩.৫৬ শতাংশ। বেলা ১১টা পর্যন্ত কোচবিহারে ৩৩.৬৩ শতাংশ, আলিপুরদুয়ারে ৩৫.২০ শতাংশ এবং জলপাইগুড়িতে ৩১.৯৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। প্রসঙ্গত, প্রথম দফার ভোটে সকাল থেকেই উত্তপ্ত শীতলকুচি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমেছে। অভিযোগ, বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটারদের হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল। কোচবিহারের চান্দামারিতে বিজেপির বুথ সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভায় বরাহমোটর, কসালডাঙা, জয়গুরু শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের বুথে ভোট লুঠের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী রয়েছে হুমকিরও অভিযোগ।
এদিকে, ২৮৬ নম্বর বুথে তৃণমূল কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিশীথ প্রামাণিক বলেন, ‘ তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাস করবার চেষ্টা করছে। সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করছে। বহু জায়গায় দুষ্কৃতীরা বুথ এজেন্টদের, সাধারণ ভোটারদের আটকাবার চেষ্টা করছে। আমাদের এখানকার মাানুষ পঞ্চায়েত নির্বাচন, পৌরসভা নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেনি। তাই গণপ্রতিরোধ গড়ে উঠেছে।‘
#Lok Sabha Election 2024
#লোকসভানির্বাচন২০২৪
#Latestbengalinews
#নিশীথপ্রামাণিক
#উত্তপ্তকোচবিহার


More Stories
মমতা -অভিষেককে ৩০ হাজার করে ভোটে হারাতে না পারলে নাকখত দেবেন হুমায়ুন কবীর
ভাষা-সন্ত্রাস : মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিজেপি
আইনশৃঙ্খলার পাঠ : বিহারের কাছে কি পশ্চিমবঙ্গকে শিখতে হবে ?