Home » ৩ মে সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি চাকরি বাতিল মামলার শুনানির সম্ভাবনা

৩ মে সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি চাকরি বাতিল মামলার শুনানির সম্ভাবনা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৬ এপ্রিলঃ সোমবারই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা উচ্চ আদালত ২০১৬ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগের গোটা প্যানেলই বাতিল করে দিয়েছে। মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের নিয়োগ বাতিল ঘোষণা করে দিয়েছে আদালত। বুধবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এবার এসএসসি চাকরি বাতিল মামলার শুনানির সম্ভাব্য দিনক্ষণ জানাল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৩ মে এসএসসি চাকরি বাতিল মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও কোন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে তা এখনও অবধি জানানো হয়নি। ইতিমধ্যেই স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে ২০১৬ সালের প্যানেল অনুযায়ী ৫,২৪৩ জন অযোগ্য চাকরি প্রার্থীর তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছে সিবিআই। স্কুল শিক্ষা দফতরকে এই মর্মে চিঠিও দিয়েছে সিবিআই।

আরও পড়ুন  West Bengal Lok Sabha Election 2024ঃ ২৭২ কোম্পানি বাহিনীর নিরাপত্তায় দার্জিলিং-রায়গঞ্জ-বালুরঘাটে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ

হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের তালিকা হাতে পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শুরু করতে হবে। সেইমতো কাজ শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সূত্রের খবর, অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের তালিকা হাতে পেলেই শুরু হবে জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব। অন্যদিকে, কলকাতা হাইকোর্ট আগামী ২ মাসের মধ্যে ৮০০ চাকরি প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলায় বৃহস্পতিবার এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। জানা গিয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগেই আটকে ছিল ওই প্রার্থীদের নিয়োগ।

এদিকে, গত সোমবারই সাংবাদিক সম্মেলন করে এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানান, ‘ এর আগে অনেকেরই চাকরি বাতিল হয়েছে। খুবই কঠোর রায়। বাকি ১৯ হাজারের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ? কোনও নতুন তথ্য প্রমাণ নেই। তারপরও কেন ১৯ হাজার বাতিল করা হচ্ছে? মেয়াদ উত্তীর্ণর ক্ষেত্রে নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ নিয়ে যে তথ্য আমরা দিয়েছি কোর্টে, তাতে ১৮৫ ছিল র্যা ঙ্ক জাম্পিং ও তালিকা বহির্ভূত। তা হলফনামা দেওয়া আছে আদালতে। ৫ হাজার জনের সবার ব্যাপারে না হলেও বেশ কয়েকজনের ক্ষেত্রেই আমাদের সুপারিশপত্র বাতিল করার নির্দেশ এসেছিল। মাধ্যমিক বোর্ডও নিয়োগপত্র বাতিল করেছিল। তবে সেটায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল।এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সিবিআইয়ের দীর্ঘ অনুসন্ধান চলেছে। প্রায় দেড় বছর। তারা কম বেশি ৫ হাজার জনের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। বলেছিল, ৫ হাজারের নিয়োগ আইনসঙ্গত ভাবে হয়নি। তবে নবম-দশম, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডিতে বেশ কিছু চাকরি বাতিল হয়। এই আমরা শীঘ্রই সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছি।’

About Post Author