Home » ভোররাতে নাগেরবাজারের গেঞ্জির কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন

ভোররাতে নাগেরবাজারের গেঞ্জির কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১২ জুলাই: ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড খাস কলকাতায়। দাউদাউ করে জ্বলে উঠল যশোর রোডের (Jessore Road) উপর একটি গেঞ্জির কারখানা। শুক্রবার ভোরবেলা ভয়াবহ আগুন লাগে দমদমের নাগেরবাজারের গেঞ্জির কারখানায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকাজুড়ে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের কয়েক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও পুরোপুরি পরিস্থিতি আয়ত্তে নয়। ঘটনাস্থলে রয়েছেন পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকরা। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হলে এখনো পর্যন্ত হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন  ইডির গ্রেফতারি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ৩টে ৩০ নাগাদ হঠাৎই নাগেরবাজারের সরোজিনী নাইডু কলেজের ঠিক পাশেই একটি বেসরকারি আইসক্রিম সংস্থার গুদামে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা।এরপরই আগুন লেগে যায় অবস্থিত ওই গেঞ্জির কারখানাটিতে। প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুদ থাকায় কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন একটা কারখানা থেকে আরেকটি কারখানায়, তারপরে একটি গোডাউনে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক আতঙ্কে সৃষ্টি হয় গোটা চত্বর জুড়ে। দ্রুত আগুনের লেলিনহান শিখা বাড়তে থাকে। স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। সেই সময় কারকাখানার ভিতরে কয়েকজন কর্মী ছিলেন। কর্মীরাই তড়িঘড়ি খবর দেয় দমকলে।

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে আগুন নিভানোর কাছে হাত লাগান। কারখানার কর্মীরাও আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। গোটা এলাকা ফাঁকা করতে শুরু করে তারা। ওই কারকাখানার আশেপাশে একাধিক অফিস রয়েছে। সেখানকার কর্মীদের সরানো হয়। দমকল কর্মীদের কয়েক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নয়। এদিন ঘটনার যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তাদেরকে বোঝা যাচ্ছে এদিন আগুনের তীব্রতা ঠিক কতটা ছিল। প্রাথমিকভাবে দমকল কর্মীদের অনুমান শর্ট সার্কিটের জেরেই আগুন লেগেছে। কীভাবে আগুন লাগল, যদিও তা জানা যায়নি। সবটা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে প্রশাসন। পাশাপাশি খতিয়ে দেখা হবে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ছিল কিনা। তবে এই অগ্নিকাণ্ডে প্রচুর ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

#Latestbengalinews

#massivefireatNagerbazar

About Post Author