সময় কলকাতা ডেস্কঃ হেপাটাইটিস সি ও হাইপারটেনশনের চিকিৎসা করাতে ২৬ বছরের এক যুবক ভর্তি হয়েছিলেন বর্ধমান জাতীয় সড়কের কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসারত অবস্থায় ওই যুবক কোমায় চলে যায়। এরপরই ওই যুবকের পরিবার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলে।
তিন সপ্তাহ আগে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন ২৬ বছরের রন্টু যশ। সেখানেই ডায়ালিসিস চলছিল, সেখানে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ায় কলকাতা থেকে নিজের বাড়ি কাটোয়ার কৈচর গ্রামে চলে আসেন রন্টু যশ। ফের ডায়ালিসিসের জন্য গত শনিবার রন্টু যশের পরিবার বর্ধমান জাতীয় সড়কের কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে রন্টুকে ভর্তি করেন। চারদিন পর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। পরিবারের অভিযোগ, ভালো অবস্থায় ভর্তি করা হয় রন্টুকে,অথচ সম্পূর্ণ ভুল চিকিৎসার জন্য কোমায় চলে যায়।
অন্যদিকে রোগীর দিদি ববিতা যশ বলেন, সুস্থ অবস্থায় হেঁটে হাসপাতালে ভর্তি হয় রন্টু, চিকিৎসায় গাফিলতির জন্যই এই অবস্থা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি জানান, চিকিৎসকরা রীতিমতো খারাপ ব্যবহার করছেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। এই অবস্থায় রন্টুকে নিয়ে কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না পরিবার।
পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, রোগীর হেপাটাইটিস সি এবং হাইপারটেনশন ছিল, তার মধ্যে দিয়ে যথেষ্ট পরিষেবা দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এই রকম একজন রোগীকে চিকিৎসা করাতে নিয়ে এসে খারাপ ব্যবহার করছেন রোগীর আত্মীয়রাই।
প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ জানাতেই হাসপাতালে পৌঁছয় বর্ধমান সদরের সাব ডিভিশনাল অফিসার তীর্থঙ্কর বিশ্বাস। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


More Stories
ময়নাগুড়িতে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২ তরুণী , আহত ৫
মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ আগুন, মৃত্যু ১
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু