সময় কলকাতা ডেস্কঃ দুই দেশের সম্পর্ক আদায় কাঁচ-কলায়। কিন্তু গত দু’বছর ধরে পৃথিবীতে এমন একটি মারণ রোগের আমদানী হয়েছে, যার জেরে বহু শ্ত্রু দেশ আজ মিত্র দেশে পরিনত হয়েছে। শুধু মাত্র মানুষ বাঁচতে চায়। এই আর্তি থেকেই পৃথিবীর মানুষ দেশ কাল ভুলে এক মঞ্চে একে অপরের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর প্রকৃষ্ট উদাহরন উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া।

কোভিড সংক্রমণে বিধ্বস্ত উত্তর কোরিয়া।দিন যত এগোচ্ছে ততই খারাপ হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার করোনা পরিস্থিতি।গত ২৪ ঘণ্টায় আর খারাপ হয়েছে উত্তর কোরিয়ার কোভিড পরিস্থিতি। সংক্রমিত হয়েছেন প্রায় দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ। গত সোমবার পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ায় প্রায় ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়।করোনার মারণ থাবায় প্রতিবেশী শক্তিধর রাষ্ট্র এখন চরম দুঃসময়ের মধ্যে পড়েছে। সমগ্র উত্তর কোরিয়া জুড়ে এই ভয়াভয় করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার দেশের সেনাকে কোভিড মোকাবিলার কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিলেন উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং-উন।যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজধানীর বাসিন্দাদের কাছে যত তাড়াতারি সম্ভব খাদ্যসামগ্রী পর্যাপ্ত ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনী।যদিও প্রশাসন এখনো পর্যন্ত করোনা শব্দটিকে উচ্চারণ করতে নারাজ।তাদের কাছে এটা এক ধরনের জ্বর বা ইনফ্লুয়েঞ্জা।
কিন্তু প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এই দুঃসময়ে সামরিক ও কূটনৈতিক দ্বৈরথ ভুলে মানবিক সাহায্য নিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াও।সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি ইয়ুন সুক ইয়োল জানান।“উত্তর কোরিয়ার এই দুর্দিনে কোরিয়া যদি চায় তা হলে করোনার যাবতীয় ওষুধ,টিকা,চিকিৎসার সরঞ্জাম,ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী সহ সব রকম সাহায্য করতে প্রস্তুত দক্ষিণ কোরিয়া”।পাশাপাশি তিনি আরও জানান যে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এই দুরাবস্থায় তাদের আর কিভাবে সাহায্য করা যায় তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা করব আমরা।চলতি সপ্তাহেই দক্ষিণ কোরিয়ায় আসছেন বাইডেন, তখনই উত্তর কোরিয়ার পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে তাঁর সাথে আলোচনা করবেন বলে জানান ইয়ুন।


More Stories
হরমুজ প্রণালী, রান্নার গ্যাস ও তেল এবং ভারত -ইরানের সম্পর্ক
যুদ্ধের জাঁতাকলে ভারত
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু