সময় কলকাতা ডেস্কঃ চলতি মাসেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত ধন্দ্বে বিরোধী শিবির। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর দিল্লি সফরের মাধ্যমে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী জোটের শলতে পাকিয়ে দিলেও, এখনও পর্যন্ত সেই জোট শক্তিশালী রূপ নিতে পারেনি। উপরন্তু, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বারবার ইডির জেরার মুখে পড়ছেন সোনিয়া গান্ধি এবং রাহুল গান্ধি। এসবের মাঝেই মঙ্গলবার বিকেলে দিল্লি গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী জোটের বৈঠক তিনি যোগ দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন ক্ষণ ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়ে আগ্রহ রাজনৈতিক মহলে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিরোধী বৈঠকে যোগ দেবে কংগ্রেস। ওই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সোনিয়া গান্ধী এই মুহুর্তে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি। তাই তাঁর প্রতিনিধি হয়ে বুধবারের বৈঠকে থাকতে পারেন কংগ্রেসের প্রথম সারির তিন নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, জয়রাম রমেশ এবং রণদীপ সিং সুরজেওয়ালার।

এদিকে শুধু কংগ্রেসই নয় মমতা যেসব বিরোধী দলের নেতাদের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন তারা অধিকাংশই বৈঠকে যোগ দেবেন বলে জানিয়ে দিয়েছে। বাম দলগুলির মধ্যে সিপিআই-এর ডি রাজা উপস্থিত থাকবেন। তিনি জানিয়েছেন বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী জোটের ঐক্যের স্বার্থে তারা মমতার ডাকে তাঁরা যোগ দেবেন এই বৈঠকে।তবে বাম দল সিপিআইএম এই বৈঠকে যোগ দেবে কিনা সেই নিয়ে কোন ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।তাদের বক্তব্য মমতার দল আঞ্চলিক দল। সাধারনত এই ধরনের বিরোধী শিবিরের বৈঠক বড় কোন জাতীয় দলের ডাকা উচিৎ। অতএব এই বৈঠকে তাদের যোগ দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন চিহ্ন থেকে যাচ্ছে।আরএসপি অবশ্য জানিয়েই দিয়েছে, তাঁরা বৈঠকে যোগ দেবে না।

মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে পা দিয়েই চলে যান এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারের বাড়িতে। কারন প্রথম দিকে শরদ পাওয়ার শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়তে চান না বলে জানিয়ে দেন। আর সেই কারনেই মমতা তাঁকে রাজি করানোর চেষ্টাতেই তাঁর বাড়িতে যান।
তবে শিব সেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে নিজে না থাকলেও তাঁর প্রতিনিধি হিসাবে থাকবেন সঞ্জয় রাউত। পাঠাবেন তিনি। আম আদমি পার্টির প্রতিনিধিও বৈঠকে থাকবেন বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে থাকবেন অখিলেশের প্রতিনিধিও। তেজস্বী যাদব বা এমকে স্ট্যালিন সম্ভবত বৈঠকে থাকতে পারছেন না। তাঁদের দলের সিনিয়র নেতারা থাকবেন প্রতিনিধি হিসাবে।


More Stories
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!
প্রাকৃতিক বিপর্যয় : লাইফলাইন এনএইচ ৭১৭