সময় কলকাতা ডেস্কঃ কান্না আর পাঁচটা আবেগের প্রতিক্রিয়ার মতোই একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। চোখে জল আসাকে দুর্বলতা মনে করা হলেও, হাসির মতোই স্বাভাবিক মানুষের চোখের জল। বরং কাঁদলেই হালকা হবে মন। কান্না চেপে রেখে সমস্ত যন্ত্রণা মনে পুষে রাখলেই শরীরে সৃষ্টি হবে নানান রোগ। অনেকেই আছে যারা একটুতেই কেঁদে ফেলেন, এঁদের মধ্যে রয়েছে বিশেষ কিছু গুণও। জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী?
এরা তুলনামূলক বেশি ইমোশনাল হন। যেকোনো প্রয়োজনে এরা সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেন তেমনই আবার অন্যের দুঃখ বুঝতেও অনেক বেশি সক্ষম এরা।বন্ধুত্বে আবেগটাই আসল, এরা আবেগ প্রবণ হওয়ায় বন্ধু হিসেবেও ভাল।কান্নাকে অনেকেই দুর্বলতা মনে করেন। সমাজ কী ভাবে বিষয়টাকে দেখবে এই ভেবে অনেকেই কাঁদেন না।
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে সবসময়ে হাসিখুশি থাকা যেন নিয়মের পর্যায়ে চলে গিয়েছে। কারও যে সত্যিই দুঃখ হতে পারে তা যেন মেনে নিতেই রাজি নয় সমাজ। কিন্তু দুঃখ পাওয়া বা কেঁদে ফেলা মানুষের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্যর মধ্যেই পড়ে। বিশেষ করে কোনও পুরুষের চোখে জল দেখলে সমাজ যেন রে রে করে ওঠে। তবে যারা হাসির মতো মনে দুঃখ এলেও চোখে জল এনে তা প্রকাশ করেন তারা সমাজের তোয়াক্কা করেন না।

যাঁরা অল্পেতেই কেঁদে ফেলেন, তাঁদের জীবন থেকে অনেকটাই স্ট্রেস কমে যায় বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। কান্নার মাধ্যমেই স্ট্রেস কমতে থাকে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে বরং না কেঁদে কষ্ট চেপে রাখলেই অন্যান্য অসুখ বাসা বাঁধতে থাকে।


More Stories
প্রাথমিক স্কুলের পাশেই পরিত্যক্ত ও আগাছায় ভরা কুয়ো! ভয়ে একা বেরোয় না শিশুরা
হাওড়ার ভাগাড়ের জঞ্জাল থেকে বিদ্যুৎ তৈরির পরিকল্পনা
শীতকালে ঠোঁট ফাটা নিয়ে চিন্তা? মেনে চলুন এই চার টিপস, লাগবে না কোনও পেট্রোলিয়াম জেলি