সময় কলকাতা ডেস্কঃ নিজে কোন সন্তানকে গর্ভে ধারন না করেও তিনি হয়ে উঠেছিলেন বিশ্বের সকলের মা। ১৯১০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ আগস্ট। অটোমান সাম্রাজ্যের আলবেনিয়া স্কপিয়েতে জন্মগ্রহণ করেন অ্যাগনেস গঞ্জা বোজাঝিও।

১৯২৯ সালে ভারতে দার্জিলিঙে নবদীক্ষিত হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৩১ সালের ২৪ মে তিনি হিসেবে প্রথম শপথ গ্রহণ করেন। এ সময় তিনি ধর্মপ্রচারকদের পৃষ্ঠপোষক মাদার টেরিজার নাম গ্রহণ করেন। মৃত্যুর অনেক পরে পোপ ফ্রান্সিস তাঁকে ‘সন্ত’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় তিনি দ্য মিশনারিজ অফ চারিটি নামে একটি ধর্ম প্রচার সংঘ তৈরি করেন। ১৯৫২ সালে মাদার টেরিজা কলকাতা নগর কর্তৃপক্ষের দেওয়া জমিতে মুমূর্ষদের জন্য প্রথম আশ্রয় ও সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলেন। ভারতীয় কর্মকর্তাদের সহায়তায় একটি পরিত্যক্ত হিন্দু মন্দির কালীঘাট হোম ফর দ্য ডাইং রূপান্তরিত করেন। এটি ছিল দরিদ্রদের জন্য নির্মিত দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র । পরবর্তীতে এই কেন্দ্রের নাম রাখেন নির্মল হৃদয়।
১৯৫৫ সালের নির্মল শিশু ভবন স্থাপন করেন । এই ভবন ছিল এতিম ও বসতিহীন শিশুদের একটি স্বর্গ। ৭০ ও ৮০-এর দশক থেকে ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায় কাজ করতে থাকে মিশনারিজ অফ চ্যারিটি। ১৯৭৯ সালে প্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং ১৯৮০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ভারতরত্ন লাভ করেন।

১৯৮৩ সালে রোম সফরে যাওয়ার সময় মাদারটেরেজা প্রথম হার্ট অ্যাটাক হয়।১৯৯১ সালে মেক্সিকোতে থাকার সময় নিউমোনিয়ায় শরীরের অবনতি হতে শুরু করে। ১৯৯৬ এ ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হন। পাশাপাশি তার বাম হৃদপিন্ড রক্ত পরিবহনে অক্ষম হয়ে যায়। ১৯৯৭ সালের ১৩ মার্চ মিশনারিজ অফ চ্যারিটি প্রধান পদ ত্যাগ করেন। ৫ সেপ্টেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মাদার টেরিজা।


More Stories
কেক কেটে ঈদ উদযাপন
রবীন্দ্র জন্মদিন : মোদি ও মমতার কবিগুরু স্মরণ
রবীন্দ্রনাথের পরলোক চেতনা ও প্রেতচৰ্চা